Blog

  • ফেনীতে সরিষা চাষে কৃষকদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা

    ফেনীতে সরিষা চাষে কৃষকদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা

    আগস্ট মাসের ভয়াবহ বন্যায় কৃষিখাতে বিপর্যয়ের পর, এবার সরিষা চাষে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে ফেনী জেলার কৃষকদের মধ্যে। বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ফেনী কৃষকরা এবার অতীতের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে সরিষা চাষ করছেন। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, চলতি মৌসুমে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন।

    ফেনী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের জন্য ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এরই মধ্যে ৬ হাজার ৬৪ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে এখনো চাষাবাদ চলছে। গত বছরের তুলনায় সরিষা চাষের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ২০২৩ সালে ফেনী জেলায় ৩ হাজার ৪৯৪ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছিল, যা ২০২২ সালে ছিল ১ হাজার ৮০৬ হেক্টর এবং ২০২১ সালে ছিল ১ হাজার ৯০৭ হেক্টর। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সরিষা চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে, এর লাভজনকতা এবং ফসলের সহজ চাষাবাদ কৃষকদের আকর্ষণ করছে।

    কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি মৌসুমে সরিষা চাষে ভালো ফলন হলে, কৃষকরা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত জমির ক্ষতি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবেন এবং কৃষিখাতে পুনরুদ্ধারের পথ সুগম হবে।

  • কৃষি শ্রমিক সংকট ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: কৃষকদের কৃষিতে আগ্রহ হারানোর দুই প্রধান কারণ

    কৃষি শ্রমিক সংকট ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: কৃষকদের কৃষিতে আগ্রহ হারানোর দুই প্রধান কারণ

     

    সিলেটে অনুষ্ঠিত কৃষি বিষয়ক একটি কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, “শ্রমিক সংকট ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে কৃষি কাজ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা, ফলে তারা কৃষিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।” তাই কৃষকদের রক্ষায় প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষিতে মনোনিবেশ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার সিলেটে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

    সিলেটের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সিলেট অঞ্চল।

    কর্মশালায় বক্তারা আরও বলেন, “বাংলাদেশে বর্তমানে কৃষি শ্রমিকের সংকট বেড়েই চলছে। এর অন্যতম কারণ, বিদেশমুখী যুবসমাজ যারা কাজের সন্ধানে ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে চলে যাচ্ছেন।”

    তারা আরও বলেন, “শ্রমিক সংকটের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে। উৎপাদন খরচ বাড়লে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং এতে কৃষিতে আগ্রহ কমে যায়।”

    বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, উৎপাদন কমে গেলে বাংলাদেশে বিশাল জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা ব্যাহত হবে। এ জন্য তারা কম খরচে এবং কম পরিশ্রমে বেশি উৎপাদন করার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।

    তারা বলেন, “কৃষি যান্ত্রিকীকরণ সময়োপযোগী একটি পদ্ধতি, যা সময় এবং আর্থিক ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে। সরকার কৃষি যন্ত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে কৃষকদের জন্য বিশেষ ভর্তুকির ব্যবস্থা রেখেছে।”

    কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডিএই সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিএই খামার বাড়ী ঢাকার সরেজমিন উইং-এর পরিচালক কৃষিবিদ সরকার শফি উদ্দিন আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই সিলেট-এর উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা, ডিএই সুনামগঞ্জের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার জালাল উদ্দিন সরকার, বারি, আকবরপুর, মৌলভীবাজারের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল।

    কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডিএই সিলেট অঞ্চলের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানদের প্রতিনিধি, এবং যন্ত্র ব্যবহারকারী কৃষকরা।

  • মৌমাছির গুঞ্জরণে মুখরিত মৌমাছির গুঞ্জরণে মুখরিত জামালপুরের সরিষা ক্ষেত

    মৌমাছির গুঞ্জরণে মুখরিত মৌমাছির গুঞ্জরণে মুখরিত জামালপুরের সরিষা ক্ষেত

     

    জামালপুরে সরিষার ক্ষেত এখন হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে, যার মধ্যে মৌমাছির গুঞ্জরণে প্রকৃতি হয়ে উঠেছে আরও মধুর। সারা মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ যেন এক নান্দনিক গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে। এই দৃশ্যটি গ্রামের পরিবেশকে আরও মনোমুগ্ধকর করেছে, যেখানে মধু সংগ্রহের কাজে যুক্ত পেশাদার মৌয়ালরা ব্যস্ত।

    দেশের নানা প্রান্ত থেকে উদ্যোক্তারা মধু সংগ্রহকে শুধু একটি সম্ভাবনা হিসেবে নয়, বরং একটি লাভজনক পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানায়, মধুর উচ্চ চাহিদা এবং লাভজনকতা কারণে উত্তর-মধ্যাঞ্চলের এই জেলা মৌমাছি পালন এবং মধু সংগ্রহের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ডিএই সূত্রে জানা গেছে, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামালপুরের সরিষা ক্ষেত সরিষার হলুদ রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে এবং মধু সংগ্রহকারীরা ইতোমধ্যেই ১০,৫৩০ কিলোগ্রাম মধু সংগ্রহ করেছেন। এই সময়ে মধু সংগ্রহকারীরা ৭,২৮৭টি মৌচাক স্থাপন করেছেন, যা মধু উৎপাদন, ফসল পরাগায়ন এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    জেলার ৪১ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হলেও মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে ৪,৬১৫ হেক্টর জমি থেকে। এ বছরে প্রায় ৪৫ জন মধু সংগ্রহকারী সাতটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌচাক স্থাপন করেছেন।

    এছাড়া মধু সংগ্রহকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেছেন, “মধু সংগ্রহের এই মৌসুমে তারা ভালো পরিমাণ মধু সংগ্রহ করছেন এবং আবহাওয়া অনুকূল থাকলে মধু সংগ্রহের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে,” এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

    কৃষকরা বলছেন, মধু সংগ্রহের মাধ্যমে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরিষার পরাগায়নও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।

  • টি-টোয়েন্টি টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত

     

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্রিকেটবিষয়ক গণমাধ্যম ক্রিকবাজ তাদের এক খবরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    শান্ত জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকেই তিনি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা তখন বাস্তবায়িত হয়নি। তবে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নিজের ব্যাটিংয়ে আরও মনোযোগী হতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই দফায় আপাতত টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরে আসছেন শান্ত, তবে টেস্ট এবং ওয়ানডে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাবেন।

    ক্রিকবাজ বিসিবির শীর্ষ এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জানায়, “শান্ত শেষ পর্যন্ত আমাদের জানিয়ে দিয়েছে, সে আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধিনায়ক থাকবে না। আমরা সেটি মেনে নিয়েছি, কারণ আমাদের এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেই। তবে যদি কোনো ইনজুরি সমস্যা না থাকে, তাহলে নাজমুল টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে থাকবে।”

    বর্তমানে বিপিএল দল ফরচুন বরিশালের হয়ে ব্যস্ত আছেন শান্ত। নভেম্বরে আফগানিস্তান সিরিজে কুঁচকির ইনজুরির পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ মিস করেছেন তিনি। এনসিএল টি-টোয়েন্টি আর বিপিএল দিয়েই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য নিজেকে ফিট করার মিশনে রয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে বাংলাদেশ দলের হয়ে টস করার সম্ভাবনা রয়েছে শান্তর।

    এদিকে শান্তর অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে এগিয়ে আছেন লিটন কুমার দাস। যদিও ব্যাট হাতে কিছুটা ধুঁকছেন, তবে উইকেটের পেছনে এবং অধিনায়কত্বে বেশ ছন্দে আছেন লিটন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার নেতৃত্বে ক্রিকেটভক্তরা মুগ্ধ হয়েছিলেন। সিরিজ শেষে তিনি জানিয়েছেন, বিসিবি চাইলে তিনি জাতীয় দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।

    শান্তর এমন সিদ্ধান্তের পর আবারও বাংলাদেশ ক্রিকেটে একাধিক অধিনায়কের যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের আগে সাকিব আল হাসান ছিলেন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, তামিম ইকবাল ছিলেন ওয়ানডে অধিনায়ক। তামিমের নেতৃত্ব ছাড়ার পর সাকিবকে তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে সাকিবও গত বছর শুরুতে অধিনায়কত্ব ছাড়েন, এরপর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শান্ত তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক হন। এক বছরও পূর্ণ না হতেই শান্ত এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন।

  • ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাজধানী, শীতের তীব্রতা বেড়েছে

    ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাজধানী, শীতের তীব্রতা বেড়েছে

    আসিয়া আফরিন চৌধুরী

    বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানী ঢাকা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে গেছে, যা শহরের বিভিন্ন এলাকা বিশেষ করে টঙ্গী, উত্তরা, বিমানবন্দর ও খিলক্ষেত এলাকায় বেশি লক্ষ্য করা যায়। ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় যানবাহন চলাচল করতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, শীতের তীব্রতার সঙ্গে কুয়াশার কারণে রাজধানীবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে, দূরের কিছু জিনিস স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমে আসলেও শীতের অনুভূতি আগের চেয়ে আরও তীব্র হয়েছে।

    অধিকাংশ মানুষ জানাচ্ছেন, গতকাল (বুধবার) থেকেই সূর্যের তাপ না থাকায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে এবং আজকের কুয়াশা সেই পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করেছে। যাত্রীরা এই পরিস্থিতিতে সাবধানে গাড়ি চালাচ্ছেন এবং কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছেন।

    এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শহরের নিত্যদিনের কার্যক্রমেও কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, বিশেষত ভোরে স্কুলগামী শিশু এবং অফিসগামী মানুষের জন্য।

  • গোমতীর চরে হাত দিতেই বেরিয়ে আসছে আলু: বন্যার পর বাম্পার ফলন

    গোমতীর চরে হাত দিতেই বেরিয়ে আসছে আলু: বন্যার পর বাম্পার ফলন

     

    গোমতী নদীর ভান্তির চর, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় গড়ে উঠেছে এক অভিনব দৃশ্য। এবছর বন্যার পর চরের কৃষিজমিতে পলি জমার ফলে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। নারীরা নরম মাটিতে হাত দিয়ে আলতোভাবে আলু তুলছেন, এবং সাদা রঙের আলু বেরিয়ে আসছে। এই দৃশ্য পুরো চরে এখন দৃশ্যমান, আর কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে ভাল ফলনের কারণে।

    স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের মতে, গত আগস্টে ভয়াবহ বন্যার ফলে গোমতী নদীর চরের জমিতে পলি জমে গেছে, যা আলুর ফলন বৃদ্ধির জন্য সহায়ক হয়েছে। ভান্তির চরের আলু তোলার কাজ বেশ জমজমাট, যেখানে নারী ও পুরুষরা দলে দলে আলু তুলে বস্তায় ভরছে এবং সেগুলো কাঁধে করে সড়কে নিয়ে যাচ্ছে বিক্রির জন্য।

    সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক কৃষক আলু ও মিষ্টিকুমড়া একই জমিতে চাষ করছেন। তবে আলু তুলতে গিয়ে কুমড়ার গাছ নষ্ট করা হচ্ছে না। স্থানীয় কৃষকরা এই মৌসুমে আলু তোলার কাজে চুক্তিভিত্তিক কাজ করছেন। মিরপুর গ্রামের শাহজাহান জানান, তিনি গত ১০ বছর ধরে চুক্তিতে আলু তোলার কাজ করছেন এবং এবার আলুর আকার তুলনামূলক বড় এবং দেখতেও ভালো।

    এছাড়া, গোমতী নদীর আমতলী চরেও আলু চাষ বেশ জনপ্রিয়। এখানে আলুর ফলন আশপাশের অন্যান্য চরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি কানি জমির আলু ও মিষ্টিকুমড়া চুক্তিতে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি মৌসুমে আলুর বীজের দামও বেশি ছিল, তবে কৃষকরা ভালো লাভের আশা করছেন।

    কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুমিল্লা জেলার ১০ হাজার ২৫৪ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণ করা হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ থেকে তেমন কোনো সহায়তা না পেলেও, কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে পরামর্শ দেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

    এভাবে আলু চাষের এই সফলতার পেছনে বন্যার প্রভাবে জমিতে জমা হওয়া পলি এবং কৃষকদের পরিশ্রমী কাজের সম্মিলনে গোমতীর চরের আলু এখন বাজারে এক জনপ্রিয় ও সুস্বাদু ফসল হিসেবে পরিচিত।

  • শহীদ ৮২৬, আহত ১১ হাজার ৩০৬: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রথম ধাপের তালিকা প্রকাশ

    শহীদ ৮২৬, আহত ১১ হাজার ৩০৬: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রথম ধাপের তালিকা প্রকাশ

    আসিয়া আফরিন চৌধুরী

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের প্রথম ধাপের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত বিশেষ সেলের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় শহীদ ব্যক্তির সংখ্যা ৮২৬ জন এবং আহতের সংখ্যা ১১ হাজার ৩০৬ জন। তবে, বিশেষ সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তালিকাটি এখনো চলমান রয়েছে এবং আরও নাম যোগ করা হতে পারে।

    এই তালিকায় যারা অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি, তারা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনকারীদের অবশ্যই কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর, হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের প্রমাণপত্র এবং অন্যান্য উপযুক্ত কাগজপত্র সহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় অথবা গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত বিশেষ সেলের দলনেতার কাছে আবেদন করতে হবে।

    বিশেষ সেলের দলনেতা (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই তালিকা প্রকাশের পরও কিছু নাম যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ের মধ্যে তা তালিকাভুক্ত হতে পারে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে প্রতিপক্ষের আক্রমণে শহীদ বা আহত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা গণনা করে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    এই তালিকা নিয়ে আরও কোনো সংশোধন বা আপত্তি থাকলে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে, যাতে এদের নামও তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়।

  • মোবাইল অ্যাপে শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে ২৬%: ব্যবহারকারী সংখ্যা কমেছে

    মোবাইল অ্যাপে শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে ২৬%: ব্যবহারকারী সংখ্যা কমেছে

    ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বা ২৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে, একই সময়ে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারকারী সংখ্যা প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে, যা বাজার বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

    ডিএসইর বার্ষিক বাজার পর্যালোচনা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ২৯৯ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৪.৩৩ শতাংশ। ২০২৩ সালে এই পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৮৪৮ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ১১.৯৪ শতাংশ ছিল। এর ফলে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ বছরের ব্যবধানে ২৬.৪২ শতাংশ বেড়েছে।

    তবে, মোবাইল ফোনে লেনদেনকারীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৩২ হাজার ৬৮৮ জন থেকে ২০২৪ সালে ৩০ হাজার ৪৩৩ জনে নেমে এসেছে। এই বছরে মোট ১ কোটি ৬ লাখ আদেশ পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ১ কোটি ৪ হাজার আদেশ কার্যকর হয়েছে।

    ডিএসইতে ২০২৪ সালে মোট লেনদেন ছিল ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৩৯ কোটি টাকা, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৫.৩৭ শতাংশ বেশি। ২০২৩ সালে লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯.৮৩ শতাংশ কম ছিল।

    মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেনের বৃদ্ধি হলেও, ব্যবহারকারী সংখ্যা কমার বিষয়টি বাজারের একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ।

  • নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাব: রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে চ্যালেঞ্জ

    নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাব: রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে চ্যালেঞ্জ

     

    ঢাকা: নির্বাচনী সংস্কার কমিশন, যা গত কয়েক মাস ধরে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কাজ করে আসছে, এবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এই প্রস্তাবগুলো আগামী ৩ জানুয়ারি সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। কমিশন তাদের প্রস্তাবে ‘না’ ভোটের বিধান চালু, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ এবং নির্দলীয় প্রতীকে ভোটের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    কমিশন জানিয়েছে, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তারা বেশ কিছু প্রস্তাব তৈরি করেছে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গঠন এই সংস্কারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    বিএনপির মধ্যে ‘না’ ভোট নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আসলে যারা ভোটকেন্দ্রে যারা যায়, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটই দিতে যায়। অতীতে একবার চালু হয়েছিল, তখন আমরা দেখছি না ভোটে মানুষের আগ্রহ নেই। এতে পরিস্থিতি জটিলতার দিকে যায়।”

    অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, তারা এখনো ‘না’ ভোট নিয়ে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত করেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবে।

    এছাড়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদা রওনক খান বলছেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংস্কার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন আয়োজন করতে হবে সরকারকে। সেক্ষেত্রে ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে যাবে সরকারের জন্য।”

    নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার আশা প্রকাশ করেছেন, “আমরা আমাদের প্রস্তাবনা দিবো। আশা করবো রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। এখন কেউ একমত না হলেও প্রয়োজনে পরে একমত হবে।”

    কমিশনের মতে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে, এবং তাই তারা নতুন কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছে যাতে আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠুতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

    এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এসব সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কিনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা যাবে কিনা।

  • মুড়িকাটা পেঁয়াজে লোকসান গুনবে কৃষক

    মুড়িকাটা পেঁয়াজে লোকসান গুনবে কৃষক

    মো: আবু‌হেনা, গোদাগাড়ী

    আর্থিক ক্ষতির শঙ্কায় পড়েছে গোদাগাড়ীর পেঁয়াজ চাষিরা। আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের কারণে চাষকৃত দেশি পেঁয়াজের বাজারে ধস নেমেছে। পেঁয়াজ উৎপাদনের অন্যতম উপজেলা গোদাগাড়ী, বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন মৌসুমের আগাম জাতের মুড়িকাটা পেঁয়াজ।
    গোদাগাড়ীর চাষিরা গত বছর মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হলেও এবার হতাশায় ভূগছেন। বেশি দামে বীজ ক্রয়, প্রতিকুল আবহাওয়ার প্রভাবে ফলন কমার আশঙ্কায় রয়েছে। সেই সাথে বাজারে আশানুরুপ দাম না পাওয়া উৎপাদন খরচ তোলা নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে কৃষকদের।
    এ কারণে সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে কৃষক শামীম বলেন, এই সময়ে এলসির পেঁয়াজ আসছে। উৎপাদন মৌসুমে আমদানি বন্ধ না করলে কৃষক আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। কৃষককে বাঁচাতে হলে উৎপাদন মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করতে হবে।
    সরেজমিনে উপজেলার চর ও বরেন্দ্র অঞ্চলে গিয়ে দেখা যায়, কোন কোন মাঠে যত দূর চোখ যায় ততো দূর পর্যন্ত শুধু পেঁয়াজ খেত চোখে পড়ে। পেঁয়াজ গাছ গুলো সবুজ হয়ে রয়েছে আর কদিন পরেই উঠবে এসব পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষিরা শেষ সময়ে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে জমিতে। কেউ পেঁয়াজ খেতে শেষ নিড়ানী দিচ্ছে, কেউ আগাছা পরিস্কার করছে, পানি দিচ্ছে।
    গোদাগাড়ীর পৌর এলাকার মহিশালবাড়ি গ্রামের কৃষক শাহাদাত হোসেন বলেন, এ বছর ৬ বিঘা জমিতে রোপণ করেছি মুড়িকাটা পেঁয়াজ। এখন পর্যন্ত আমার খরচ হয়েছে সাড়ে পঁচ লাখ টাকা। দুই দফা বৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট ও অতিমূল্যে বীজ কেনায় এ বছর খরচ হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ, ২০ দিন পরে আমার জমির পেঁয়াজ তুলব। বর্তমানে পেঁয়াজের যে দাম এতে লোকসানের আশঙ্কায় আছি আমি।
    তিনি বলেন, এবার রোপণ মৌসুমে বীজের দাম ছিল বেশি। ১৬ হাজার টাকা মণ দরে (জিরো সাইজ) পেঁয়াজে কিনে রোপণ করতে হয়েছে। গড়ে এক বিঘায় সাড়ে তিন মণ করে বীজ লেগেছে। শুধু বীজের খরচই হয়েছে বিঘায় ৫৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। জমির ইজারা, সার কীটনাশক এবং শ্রমিকের মজুরি মিটিয়ে আরও ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে প্রতি বিঘায়। জমি থেকে পেঁয়াজ তুলতে আরও খরচ হবে ১০ হাজার টাকা। গড়ে এক বিঘা জমির জন্য ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হবে।
    চর মানিকচক গ্রামের কৃষক কমাল উদ্দিন বলেন, সার-বীজ কীটনাসকসহ সব কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের খরচ বাড়লেও উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। বৈরী আবহাওয়ায় এবার ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তেমনি বাজারে নতুন পেঁয়াজের দাম খুবই কম। এরপর আবার ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বর্তমান বাজার মুল্য হিসেব করলে প্রতি বিঘায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা লোকসান গুণতে হবে। তাই কৃষকদের বাঁচাতে ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করলে দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়বে।
    এদিকে গোদাগাডীর বিভিন্ন হাটবাজারে নতুন মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন মোকাম থেকে এনে খুচরা বিক্রি করছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে।
    গোদাগাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, মরিয়ম আহম্মেদ বলেন, এবছর উপজেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপনের সময় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে আবাদ পিছিয়ে যাওয়ায় ফলন কিছুটা কম হবে। আর বিদেশি পেঁয়াজ আমদানির কারণে পেঁয়াজের দাম সব সময় উঠানামা করে। এখন যে দামটা পাচ্ছে চাষিরা এর থেকে একটু বেশি হলে কৃষকেরা লাভবান হতো। তারপরও কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে না বলে আশা করেন।
    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে চাষ হয়েছে ১১ হাজার ২২৫ সেক্টর জমিতে। সবে পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে।