আজ রবিবার, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতি র অবনতি হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে বিভিন্ন নদীর পানি। বিভিন্ন এলাকায় পানি বাড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় শেরপুরের মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রতিটি গ্রাম বন্যা কবলিত।ঝিনাইগাতী,ডাকাবর,শালচুড়া,দিঘিরপাড়,বনগাঁও,জিগাতলা,চতল,হাতিবান্ধা,কোনাগাও,পাইকুড়া,হাসলিগাও,বাতিয়াগাও সহ অনেক গ্রাম বন্যায় তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিজিবি ত্রান সামগ্রী ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে নালিতাবাড়ীতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যুক্ত হয়েছেন।শেরপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খোলা হয়েছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি স্থানীয়রা।আকস্মিক এই বন্যায় অনেকেই শুধু নিজের প্রানটুকু নিয়েই আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন।
শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতি তে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রনব কুমার কর্মকারের দেয়া তথ্য মতে, শুধু ঝিনাইগাতী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ২ হাজার ৫৭টি মাছের ঘের ভেসে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিক হিসাবে ১১ কোটি টাকার বেশি। আর কৃষি অফিসের তথ্য মতে, জেলার অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর আমন আবাদ এবং এক হাজার হেক্টর সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তত ৭০হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
আরো জানুন: সুনামগঞ্জের বন্যায় পরিস্থিতি
