ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের নতুন সম্ভাবনা  নদী দখল ও দূষণে হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজাতি  আতা ফলের ফল ছিদ্রকারি পোকা: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদার গাছ ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষয়ক্ষতি ও টেকসই সমাধান বাংলাদেশে আতা ফলের আগা মরা রোগ: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আনারসের হার্ট রট রোগ – কারণ, লক্ষণ ও টেকসই সমাধান আমলকির কান্ড ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত সমাধান আমলকির গল মাছি – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমলকির স্কেল পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

প্রতিদিন ২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে এই উপকারগুলো পাবেন

  • কৃষককন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে

কাঁচা রসুনের অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে। প্রাকৃতিক এই সুপারফুড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি পর্যন্ত কমাতে পারে। রান্না রসুনের উপকারিতা তো রয়েছেই, তবে কাঁচা অবস্থায় খেলে এটি আরও বেশি পুষ্টি প্রদান করে। জেনে নিন প্রতিদিন ২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে কোন কোন উপকার পাবেন।

১। ঘন ঘন সর্দি ও সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত? কাঁচা রসুনের শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরকে অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণা বলছে,  রসুনে থাকা অ্যালিসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াকে দূরে রাখে। নিয়মিত এটি খেলে সর্দি, ফ্লু এবং সংক্রমণের তীব্রতা এবং প্রবণতা কমে।

২। উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক। গবেষণা বলছে, কাঁচা রসুন এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। রসুন রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২০২০ সালের একটি গবেষণা বলছে, রসুন খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল স্থিতিশীল রাখে। ফলে কমে হৃদরোগের ঝুঁকি।

৩। আমাদের শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে বিষমুক্ত করে রসুন। কাঁচা রসুন ক্ষতিকারক পদার্থ বের করে দিয়ে লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এতে সালফার যৌগও রয়েছে যা ভারী ধাতুর বিষাক্ততা থেকে রক্ষা করে, লিভার এবং কিডনির মতো অঙ্গগুলোর ক্ষতি কমায়।

৪। হজমে সাহায্য করে রসুন। এটি পাচক এনজাইম উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং শরীরকে আরও দক্ষতার সাথে খাবার ভাঙতে সাহায্য করে। তাছাড়া এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ক্ষতিকারক অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৫। রসুনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা কোষের ক্ষতি এবং বার্ধক্যের জন্য দায়ী ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে কাঁচা রসুন নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস কোষের মিউটেশন রোধ করে এবং টিউমারের বৃদ্ধি ধীর করে পাকস্থলী এবং কোলোরেক্টাল ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া 

Tag :
অথরের তথ্য

Abrar Khan

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

প্রতিদিন ২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে এই উপকারগুলো পাবেন

আপডেট সময় ১০:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কাঁচা রসুনের অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে। প্রাকৃতিক এই সুপারফুড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি পর্যন্ত কমাতে পারে। রান্না রসুনের উপকারিতা তো রয়েছেই, তবে কাঁচা অবস্থায় খেলে এটি আরও বেশি পুষ্টি প্রদান করে। জেনে নিন প্রতিদিন ২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে কোন কোন উপকার পাবেন।

১। ঘন ঘন সর্দি ও সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত? কাঁচা রসুনের শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরকে অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণা বলছে,  রসুনে থাকা অ্যালিসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াকে দূরে রাখে। নিয়মিত এটি খেলে সর্দি, ফ্লু এবং সংক্রমণের তীব্রতা এবং প্রবণতা কমে।

২। উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক। গবেষণা বলছে, কাঁচা রসুন এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। রসুন রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২০২০ সালের একটি গবেষণা বলছে, রসুন খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল স্থিতিশীল রাখে। ফলে কমে হৃদরোগের ঝুঁকি।

৩। আমাদের শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে বিষমুক্ত করে রসুন। কাঁচা রসুন ক্ষতিকারক পদার্থ বের করে দিয়ে লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এতে সালফার যৌগও রয়েছে যা ভারী ধাতুর বিষাক্ততা থেকে রক্ষা করে, লিভার এবং কিডনির মতো অঙ্গগুলোর ক্ষতি কমায়।

৪। হজমে সাহায্য করে রসুন। এটি পাচক এনজাইম উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং শরীরকে আরও দক্ষতার সাথে খাবার ভাঙতে সাহায্য করে। তাছাড়া এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ক্ষতিকারক অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৫। রসুনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা কোষের ক্ষতি এবং বার্ধক্যের জন্য দায়ী ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে কাঁচা রসুন নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস কোষের মিউটেশন রোধ করে এবং টিউমারের বৃদ্ধি ধীর করে পাকস্থলী এবং কোলোরেক্টাল ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া