Blog

  • স্কুলশিক্ষিকাকে পুড়িয়ে মেরে আত্মহত্যা বলে চালানো হয়: সিআইডি

    স্কুলশিক্ষিকাকে পুড়িয়ে মেরে আত্মহত্যা বলে চালানো হয়: সিআইডি

    আবু শাহীন,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি   ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষিকা মিলি চক্রবর্তী হত্যার তিন বছর পর চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি।

    আসামিরা হলেন নিহতের স্বামী সোনা মিয়া, ছেলে রাহুল রায় অর্ক, ভাতিজা মানিক মিয়া ও আমিনুল হক সোহাগ।
    ২০ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন জেলা সিআইডির এএসপি সুমিত চৌধুরী।

    সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, মিলি হত্যাকাণ্ড শুরু থেকেই আত্মহত্যা বলার চেষ্টা করা হচ্ছিলো। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার কথা বললেও তারা মামলা করেনি। পরে পুলিশ মামলা করে। পুলিশ তদন্তভার সিআইডির কাছে দেয়। সিআইডি মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে।এই কর্মকর্তা আরও জানান, মূলত চার্জশিটের আসামি আমিনুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে মিলি চক্রবর্তীর পরকীয়ার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মিলির পরিবারে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। এরপর তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। শুধু তাই নয়, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া যায় নির্যাতনের পর তিনি অসুস্থ হলে তাকে আত্মহত্যা বলার চেষ্টা করা হয়। জীবন্ত অবস্থায় তাকে পোড়ানোর চেষ্টা করা হয় যাতে সহজে এটিকে আত্মহত্যা বলা যায়।

    এ হত্যা মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডির ইন্সপেক্টর আব্দুর রাজ্জাকের কাছে। ভিসেরা প্রতিবেদনের বরাতে গণমাধ্যমকে এই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন শিক্ষিকা মিলিকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তাদের গ্রেফতার দেখায় সিআইডি। তারা হলেন মিলি চক্রবর্তীর ছেলে অর্ক রায় রাহুল ও বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম সোহাগ। পরে গ্রেফতার করা হয়েছে মিলি চক্রবর্তীর স্বামী সোনা মিয়া এবং মানিক নামের এক ব্যক্তিকে। তবে আসামিরা এখন জামিনে আছেন।

    সিআইডির এএসপি সুমিত চৌধুরী বলেন, মামলাটি তদন্ত করতে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কারণ পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা হয়নি বরং এটিকে আত্মহত্যা বলা হয়েছে। এমন একটি মামলা শেষ পর্যন্ত তদন্ত করতে পেরে আমাদের ভালো লাগছে। আশা করি আদালতের মাধ্যমে দোষীদের বিচার নিশ্চিত হবে।
    ২০২১ সালের ৮ জুলাই সকালে শহরের কালিবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ আলী সড়কের পাশে তাঁতীপাড়ার নিজ বাসার পাশ থেকে মিলি চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায়: সঠিক পদ্ধতি ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা

    গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায়: সঠিক পদ্ধতি ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা

    বাংলাদেশে গাভীর দুধ উৎপাদন খাতটি দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও উন্নত জাতের গাভী পালন করা দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য একটি কার্যকর উপায়, তবে শুধু ভালো জাত নির্বাচন করলেই চলবে না। গাভীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবেশ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার উপর দুধ উৎপাদন অনেকাংশে নির্ভর করে।

    এই আর্টিকেলে গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর ১০টি প্রধান কৌশল নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হলো।

    গাভীর দুধ উৎপাদন নির্ভর করে যেসব প্রধান বিষয়গুলোর উপর

    গাভীর দুধ উৎপাদন কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক, পরিবেশগত এবং ব্যবস্থাপনাগত উপাদানের উপর নির্ভর করে। যেমন:

    • গাভীর আকার ও বংশগত বৈশিষ্ট্য
    • পুষ্টি সরবরাহের মান
    • বাসস্থানের পরিবেশ
    • দুধ দোহনের নিয়মিততা এবং পদ্ধতি
    • গাভীর বয়স ও স্বাস্থ্য

    এবার দেখে নেওয়া যাক দুধ উৎপাদন বাড়ানোর নির্দিষ্ট কৌশলগুলো।

    গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায়

    ১।উন্নত জাতের গাভী নির্বাচন করুন

    গাভীর দুধ উৎপাদন অনেকাংশেই নির্ভর করে তার জাতের উপর। সাধারণত বিদেশি জাতের গাভী যেমন হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান (Holstein Friesian) বা জার্সি (Jersey) গরু থেকে বেশি দুধ পাওয়া যায়।

    যদি দেশের আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম উন্নত জাতের গাভী নির্বাচন করা যায়, তাহলে দুধ উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। তবে দেশীয় জাতের গাভীকেও উন্নত জাতের সাথে ক্রস-ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে দুধ উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত করা সম্ভব।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ:

    • উন্নত জাতের গাভী দৈনিক ১৫-৩০ লিটার দুধ দিতে সক্ষম।
    • বিদেশি জাতের গাভী দ্রুত বয়ঃপ্রাপ্ত হয় এবং তুলনামূলকভাবে বেশি প্রজনন ক্ষমতা রাখে।

    ২।সুষম এবং পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ

    গাভীর দুধ উৎপাদন সরাসরি তার খাদ্যাভ্যাসের উপর নির্ভর করে। গাভীকে সুষম খাদ্য দিতে হবে যাতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, এবং ভিটামিন থাকে।

    প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান:

    • প্রোটিন: খাদ্যে ১৫-১৮% প্রোটিন থাকতে হবে। এটি দুধ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    • কাঁচা ঘাস: প্রতিদিন পর্যাপ্ত কাঁচা ঘাস সরবরাহ করতে হবে, যা গাভীর হজমশক্তি বজায় রাখে।
    • বিশেষ খাদ্য: গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ‘ডেয়ারি কনসেনট্রেট ফিড’ ব্যবহার করা যেতে পারে।

    উদাহরণ:
    গর্ভবতী গাভীর জন্য বাড়তি পুষ্টিকর খাবার যেমন ভুট্টার দানা, গমের ভূসি, তিলের খৈল বা সরিষার খৈল সরবরাহ করা দরকার।

    ৩।পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ

    গাভীর দুধের প্রায় ৮৭% পানি দিয়ে তৈরি, তাই পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০-১০০ লিটার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

    উপকারিতা:

    • পানি হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে।
    • দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
    • গাভীর দেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    ৪।ড্রাই পিরিয়ড (Dry Period) বজায় রাখা

    ড্রাই পিরিয়ড হলো গাভীর এমন একটি বিশ্রামের সময়, যখন দুধ দোহন বন্ধ থাকে। এই সময় গাভী নিজেকে শারীরিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করে এবং পরবর্তী প্রজননের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে।

    মেয়াদ:

    • সাধারণত ৫০-৬০ দিন ড্রাই পিরিয়ড রাখা হয়।

    উপকারিতা:

    • গাভীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
    • দুধ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ে।
    • পরবর্তী বাছুর জন্মের পর গাভী বেশি দুধ দেয়।

    ৫।বাছুর প্রসবের সময় বিশেষ যত্ন নিন

    গর্ভবতী গাভীকে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। প্রসবের আগে এবং পরে গাভীকে বিশেষভাবে পুষ্টিকর খাবার এবং পরিচর্যা দিতে হবে।

    প্রসবের সময় করণীয়:

    • নরম বিছানার ব্যবস্থা করা।
    • গাভীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।
    • গরম পানি ও ভিটামিন সরবরাহ করা।

    গুরুত্ব:

    • গাভীর দুধ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
    • প্রসবের সময় জটিলতা কমায়।

    ৬।দুধ দোহনের সঠিক নিয়ম বজায় রাখা

    দুধ দোহন করার নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় অনুসরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একই সময়ে দুধ দোহন করলে দুধ উৎপাদন স্থির থাকে।

    কৌশল:

    • দিনে ২ বার দুধ দোহন (সকাল ও বিকেল)।
    • দুধ দোহনের সময় গাভীকে শান্ত রাখা।
    • দোহনের সময় প্রতিবার গাভীর স্তন পরিষ্কার করা।

    উপকারিতা:

    • গাভীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
    • দুধের গুণগত মান বজায় থাকে।

    ৭।গাভীর বাসস্থান পরিষ্কার ও আরামদায়ক রাখা

    গাভীর বাসস্থান পরিচ্ছন্ন এবং আরামদায়ক রাখতে হবে। এর জন্য পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল, আলোকসজ্জা এবং শুষ্ক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

    বাসস্থানের করণীয়:

    • প্রতিদিন গাভীর ঘর পরিষ্কার করা।
    • সপ্তাহে অন্তত ২ বার ব্লিচিং পাউডার দিয়ে মেঝে ধোয়া।
    • গরমকালে নিয়মিত গোসল করানো এবং শীতকালে ব্রাশ দিয়ে লোম পরিষ্কার করা।

    উপকারিতা:

    • গাভীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
    • দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

    ৮।শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ বজায় রাখা

    দুধ দোহনের সময় গাভীকে শান্ত রাখতে হবে। কোনো উচ্চ শব্দ, কুকুরের ডাক, বা অন্যান্য উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি গাভীর দুধ উৎপাদনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    করণীয়:

    • দুধ দোহনের সময় গাভীকে আরামদায়ক রাখতে হবে।
    • পরিবেশে অতিরিক্ত আওয়াজ কমাতে হবে।

    ৯।গাভীর ব্যায়াম এবং চলাফেরার সুযোগ রাখা

    গাভীকে প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট হাঁটানো উচিত। এতে করে গাভীর রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে।

    উপকারিতা:

    • গাভীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
    • হরমোনের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে।
    • দুধ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

    ১০।ভিটামিন এবং মিনারেল প্রিমিক্স সরবরাহ

    বর্তমানে বাজারে গাভীর জন্য বিশেষ প্রিমিক্স পাওয়া যায়, যা দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর।

    উদাহরণ:

    • ভিটামিন ডি, বি এবং মিনারেল সমৃদ্ধ পাউডার খাবারের সাথে মিশিয়ে সরবরাহ করা।

    উপকারিতা:

    • গাভীর পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়।
    • গর্ভবতী গাভীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
    • দুধের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়

    গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়াতে হলে এই ১০টি কার্যকর কৌশল সঠিকভাবে অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত জাতের গাভী পালন, পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ, যথাযথ পরিচর্যা এবং সঠিক দুধ দোহন পদ্ধতি অনুসরণ করলে দুধ উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

    এটি কেবল গাভীর স্বাস্থ্য রক্ষা করবে না বরং দেশের দুধের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • শান্তি আলোচনায় ‘কার্ড’ রাশিয়ার হাতে: বিবিসিকে ট্রাম্প

    শান্তি আলোচনায় ‘কার্ড’ রাশিয়ার হাতে: বিবিসিকে ট্রাম্প

    ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানার জন্য কোনো শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ‘কার্ড’ রাশিয়ার হাতে রয়েছে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখানে কার্ড বলতে নিয়ন্ত্রণকে বুঝিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, রাশিয়া এরই মধ্যে ইউক্রেনের অনেক ভূখণ্ড নিজেদের দখলে নিয়েছে। তাই এমন ধারণা তাঁর।

    বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গতকাল বুধবার ফ্লোরিডায় সৌদি আরব-সমর্থিত বিনিয়োগসংক্রান্ত একটি আলোচনা শেষে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়ার পথে ওই সাক্ষাৎকার দেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, তাঁর বিশ্বাস মস্কো এই যুদ্ধের শেষ দেখতে চায়। তিন বছর আগে ইউক্রেনে পুরোদমে অভিযান শুরু করেছিল রাশিয়া।ফ্লোরিডার বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প। এ নিয়ে এক দিনে দুবার জেলেনস্কিকে স্বৈরশাসক বলেন তিনি। গতকাল সকালেই ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর জন্য দৃশ্যত জেলেনস্কিকে ‘স্বৈরশাসক’ বলেন তিনি। তাঁর ওই প্রতিক্রিয়া ছিল আগের দিন জেলেনস্কির এক বক্তব্যের জেরে। সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার বৈঠকে ইউক্রেনকে না নেওয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে জেলেনস্কি বলেছিলেন, রাশিয়া পরিচালিত ‘অপতথ্যের জগতে বাস করছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি রাশিয়া যুদ্ধের ইতি টানতে চায়, আমি আসলেই তা বিশ্বাস করি। আমার মনে হয়, তাদের হাতে অল্প কিছু কার্ড আছে। কারণ তারা অনেক ভূখণ্ড দখলে নিয়েছে। তাদের হাতে কার্ড আছে।’ রাশিয়া শান্তি চায়—এ কথা তিনি বিশ্বাস করেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বিশ্বাস করি।’

    ইউক্রেনে জেলেনস্কি সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৪ সালের মে মাসে শেষ হয়েছে। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর দেশটিতে সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন থেকে সেখানে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ইউক্রেনে জেলেনস্কির জনপ্রিয়তা ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। কিন্তু চলতি মাসে চালানো জরিপ অনুযায়ী বিবিসি দেখেছে যে ৫৭ শতাংশ মানুষের জেলেনস্কির প্রতি আস্থা রয়েছে।

  • একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

    একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

    একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি পৃথকভাবে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।

    রাত ১২টার পর প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর রাত ১২টা ১২ মিনিটের দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

  • বীরগঞ্জে ইকো ভিলেজ ডিজাইন শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    বীরগঞ্জে ইকো ভিলেজ ডিজাইন শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    রনজিৎ সরকার রাজ, দিনাজপুর সংবাদদাতা:
    দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ১০ নং মোহনপুর ইউনিয়নের আরাজি গোবিন্দপুর গ্রামে বীরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ওর্য়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে ইকো-ভিলেজ ডিজাইন শিক্ষা বিষয়ক তিন দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    গত মঙ্গলবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইকো-ভিলেজের ৩০ জন সদস্য অংশ গ্রহন করেন। প্রশিক্ষন প্রদান করেন ইকো-ভিলেজের প্রশিক্ষক শাহিনা বেগম ও দেলোয়ার হোসেন ।
    এ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যান পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা উত্তম শর্মা।

    এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাটির গুনাগুন পরিক্ষা, জৈব বালাইনাশক সার তৈরি, মাছের টনিক,বজ্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরন,জৈব সার ব্যবস্থপনায় বাড়ির আঙ্গিনায় শতভাগ ব্যবহার করে বিষমুক্ত শাক সবজি উৎপাদন,সমতল বাগান,বেইজ বেড,চৌক্
    াপাঠালি, গর্ত পদ্ধতি,ঝুলন্ত বাগান,কেঁচোকমপোষ্ট,ভার্মিকম্পপোস্ট সার তৈরি ও ব্যবহার,মাছের টনিক,সবুজ সার তৈরির এ পদ্ধতি গুলো অংশগ্রহনকারীদের মাঠ পর্যায়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়।

  • চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এ কেমন শুরু?

    চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এ কেমন শুরু?

    তামিম ইকবালের একটা ভিডিও মোবাইলে মোবাইলে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ভিডিওতে দেখা গেছে, ফোনে স্কোর দেখতে দেখতে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢুকছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক। হঠাৎ মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। কেন, সেটিও বলে দেওয়া যাক। তামিম যখন মোবাইল খুললেন, ততক্ষণে বাংলাদেশের ৩৫ রানে পঞ্চম উইকেটও পড়ে গেছে। সেটা দেখেই তাঁর ওই প্রতিক্রিয়া।

    আরেকটা ঘটনা। নবম ওভারে পরপর ২ বলে তানজিদ হাসান আর মুশফিকুর রহিমকে আউট করে দিয়েছেন অক্ষর প্যাটেল। এর একটু পর প্রেসবক্সের নিচে গিয়ে দুই দুবাইপ্রবাসী বাংলাদেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কথোপকথন কানে এল। বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে তাঁদের ‘বিশেষজ্ঞ মতামত’ হুবহু তুলে না ধরাই ভালো। শুধু সারমর্মটা বলা যাক। তাঁরা দুজনই একমত যে বাংলাদেশের এই ব্যাটসম্যানদের ক্রিকেট খেলা বাদ দিয়ে অন্য কোনো কাজ খুঁজে নেওয়া উচিত। সম্ভাব্য বিকল্প একটি পেশার কথাও তাঁরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করলেন, সংগত কারণে সেটিও উহ্য রাখা হলো।

  • বার্ষিক পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনা ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম অনুষ্ঠিত

    বার্ষিক পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনা ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম অনুষ্ঠিত

    রনজিৎ সরকার রাজ,দিনাজপুর প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ইউনিয়ন বার্ষিক পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার শালবন মিলনায়তনে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম। ওঋঅউ/ এঅঋঝচ এবং বাংলাদেশ গভর্মেন্ট (জঅওঘঝ)-এর যৌথ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফজলে এলাহী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও আফরোজা সুলতানা লুনা, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার, প্রজেক্ট এসিস্টেন্ট জেইন সামিহা ইসরাত সিলভিয়া এবং কনসালটেন্ট নিহার কুমার প্রমাণিক।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পুষ্টি কমিটির ইউপি সদস্যরা, স্বাস্থ্য সহকারীবৃন্দ, ইমাম, পুরোহিত, নারী উদ্যোক্তারা, সমবায়ী সদস্য ও বাজার কমিটির সভাপতিবৃন্দ।

    এই কর্মপরিকল্পনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা ইউনিয়ন পর্যায়ে পুষ্টি উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং সমন্বিতভাবে পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় বিয়ের আগের দিন যুবকের মৃত্যু

    সিলেট প্রতিনিধি: বিয়ের আনন্দ বদলে গেল শোকে! বিয়ের মাত্র একদিন আগে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন সিলেটের তরুণ মো: শাহ আলম। আগামীকাল, ২১শে ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই অকাল মৃত্যু কেড়ে নিল তার প্রাণ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলার একটি ব্যস্ত সড়কে দ্রুতগামী একটি যানবাহন তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    শাহ আলমের অকাল মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিয়ের ঘর ভরা আনন্দের পরিবর্তে এখন শুধুই কান্নার সুর।

    সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। সবাইকে অনুরোধ, গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকুন এবং রাস্তা পারাপারে সাবধানতা অবলম্বন করুন। একটি ছোট ভুলের কারণে অকালে ঝরে যেতে পারে আরও একটি তাজা প্রাণ।

  • বাউফল ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে অভিযান: ১৪ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ

    সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ঢাকাগামী তিনটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৪ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের টিএনটি অফিসের সামনে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। জব্দকৃত বাসগুলো হলো মুন পরিবহন, অন্তরা পরিবহন ও ডলফিন পরিবহন। তবে জাটকা জব্দ করা হলেও বাস কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি বা জরিমানা আরোপ করা হয়নি।

    স্থানীয় যাত্রীরা জানান, পটুয়াখালীর গলাচিপা, দশমিনা ও বাউফল উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান, কিংস, অন্তরা, মুন, ডলফিন ও বাউফল এক্সপ্রেস নামের ছয়টি বাস কোম্পানি নিয়মিত ঢাকায় যাতায়াত করে। রাতের বাসগুলোতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মাছ পরিবহন করা হয়, যা থেকে গন্ধ ছড়িয়ে যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে যান। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাত্রীদের ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। এর আগেও মাছ পরিবহনের দায়ে বাস কোম্পানিগুলোকে সতর্ক ও জরিমানা করা হলেও তারা নিয়মিত মাছ পরিবহন অব্যাহত রেখেছে।

    সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গলাচিপা থেকে ছেড়ে আসা চারটি বাসে ৫-৬ ইঞ্চি আকারের জাটকা ইলিশ ঢাকায় পাচার হচ্ছে। পরে অভিযানে তিনটি বাস আটক করা হয় এবং প্রায় ১৪ ড্রাম ভর্তি জাটকা জব্দ করা হয়, যা আনুমানিক ১৪ মণ। প্রথমবার বাসগুলো আটক হওয়ায় তাদের সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে একই অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবহনগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইভেট কার চালক আহত

    সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইভেট কার চালক আহত

    মোঃ শহিদুল ইসলাম সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় বরের গাড়ি ছিটকে ধান ক্ষেতে পড়েছে। এতে গাড়ির চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ রেল ক্রসিংয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে।আহত চালকের নাম মো. হুসেন আহমেদ (৩৫)। তিনি গোলাপগঞ্জের চৌধুরী বাজারের মৃত আওলাদ আলীর ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিয়ের জন্য সাজানোর পর প্রাইভেটকারটি বিয়ের সাজে সাজিয়ে, বরের বাসায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে ফেঞ্চুগঞ্জ রেল ক্রসিংয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির স্টার্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। চালক বার বার সেলফ দিয়ে গাড়ি চালুর চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু গাড়ি চালু হচ্ছিল না। এ সময় সিলেট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন দ্রুতগতিতে এসে প্রাইভেট কারের সামনের অংশে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইভেটকার উড়ে ধান ক্ষেতে গিয়ে পড়ে। এতে গাড়ির চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল হক বলেন, ‘আহত চালককে প্রথমে ফেঞ্চুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলেও কিছুক্ষণ পর তার স্বজনরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।