Category: দেশ

  • প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির   অভিযোগ: আটক -১

    সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
    পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৬) ধ র্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগীর মাকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে ঘটেছে ওই ঘটনা। আহত অবস্থায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীর শারিরীক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় ও তার মা’কে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা শুক্রবার রাতে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসান হাওলাদার (৩০) নামের অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ৷ ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর।
    ভুক্তভোগী ছোট বেলা থেকে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। গত কয়েকদিন থেকেই অভিযুক্ত হাসান ভুক্তভোগীর চারপাশে ঘোরাফেরা করছিলো। ঘটনার দিন বেলা ১১ টার দিকে সাংসারিক কাজে বাহিরে যায় ওই কিশোরীর মা।
    সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত হাসান বাড়ির পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনতে পায় তার মা।
    তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীর সাথে হাসানকে অসংলগ্ন অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় দৌড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত৷ বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তকে ও পরিবারকে বকাঝকা করায়, অভিযুক্ত তার কয়েক স্বজনকে নিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ও ফুফুকে মারধর করে।
    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. আব্দুর রউফ বলেন, ওই কিশোরীকে বিকেল ৫টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। তার হিস্টোরি শোনার পরে, তাকে শারিরীক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তার মাকে ভর্তি দেয়া হয়েছে। বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও অন্যান্য বিষয় বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি

  • কুষ্টিয়ায় তামাকের চাষ বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    কুষ্টিয়ায় তামাকের চাষ বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে তামাক চাষ হচ্ছে। এর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব বাড়ছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত সার কীটনাশক প্রয়োগের ফলে মাটির উর্বরা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসল বাদ দিয়ে তামাক চাষ করছে।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া জেলায় ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমির মধ্যে এবার বোরো আবাদ হচ্ছে মাত্র ৩৬ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে। অপর দিকে তামাক কোম্পানিগুলো প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ করেছে।

    বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা সার-বীজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করে এবং ভালো দামেরও নিশ্চয়তা দেয়। তা ছাড়া টার্গেটের জন্য আলাদাভাবে কার্ড তৈরি করে দেয়। ফলে চাষিরা তামাক চাষে উৎসাহী হয়। মিরপুর উপজেলার বলিদাপাড়া এলাকার তামাক চাষি জীবন আলী মণ্ডল বলেন, তামাক চাষে উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় আমরা এই আবাদ করে থাকি। বিক্রি শেষে মোটা একটা টাকা পাওয়া যায়।

    তামাক চাষে অতিরিক্ত সার ব্যবহার করার ফলে ভালো ফলন হয়। বিক্রির ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হয় না। অথচ টমেটো বা সবজির আবাদ বেশি হলে বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। কিংবা সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দাম পাওয়া যায় না। ভালো বাজার ব্যবস্থাপনা এবং চাষিদের স্বার্থ সংরক্ষণ না করায় কৃষকরা অন্য ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

    পরিবেশ বিশেষজ্ঞ গৌতম কুমার রায় বলেন, তামাক চাষের কারণে খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। তিনি বলেন, এক একর জমির তামাক জ্বালাতে ৫ মেট্রিক টন জ্বালানি হিসেবে খড়ির প্রয়োজন হয়। এতে বৃক্ষ উজাড় হয়। তামাক জ্বালানোর সময় যে ধোঁয়া বের হয় তাতে ছত্রাক নিকোটিন ও কেমিক্যাল টেস্টিসাইড ড্রকিসহ নানাবিধ উপাদান থাকে যা বাতাসে মিশে যায়। তেমনি চারাগাছ বড় করা পর্যন্ত যে কীটনাশক ব্যবহার করা হয় সেগুলো বৃষ্টির পানিতে নদীতে চলে যায়। এতে ২১৪ প্রজাতির জলজ প্রাণী ধ্বংস হয়।

    গ্রামে তামাক চাষের জন্য কৃষকের পাশাপাশি ঘরের বৌ-ঝিদের এ কাজে সহায়তা করতে হয়। শিক্ষার্থী স্কুলে না গিয়ে তামাকের কাজে যুক্ত থাকে। অনেক সময় গর্ভবতী মহিলারাও এসব কাজে জড়িত থাকার ফলে তাদের ভূমিষ্ঠ সন্তানরা বিকলাঙ্গ হয়। জেলার সবচেয়ে বেশি তামাকের চাষ হয় মিরপুর ও দৌলতপুর উপজেলায়। আর এই দুই উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি প্রতিবন্ধীর জন্ম হয়।

    মিরপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উপজেলায় চলতি বছর তামাক চাষ হয়েছে সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর। আগে এসব জমিতে গম, মসুর, ছোলা, মটর, ভুট্টা, সরিষার আবাদ হতো। কিন্তু তামাক চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্যের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

    তিনি আরও জানান, এ অঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনা করে বিকল্প ফসল উৎপাদনে সরকারিভাবে সার-বীজ, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রণোদনা হিসেবে দিলে সাড়া পাওয়া যাবে।

    কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. আকুল উদ্দিন জানান, তামাক চাষ ও সেবন কিডনি, হার্ট, ফুসফুসসহ মানবদেহের স্পর্শকাতর অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করে। জেলায় এবারও বিপজ্জনক মাত্রায় তামাক আবাদ হয়েছে।

  • বীরগঞ্জে ৩৯৫ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরসহ ১ জন গ্রেফতার।

    বীরগঞ্জে ৩৯৫ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরসহ ১ জন গ্রেফতার।

    রনজিৎ সরকার রাজ  দিনাজপুর প্রতিনিধি: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ ফ্রেব্রুয়ারী’২০২৫ ইং রাত ১০টার দিকে র‍্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারি মেজর ইসতিয়াকের নেতৃত্বে থানা পুলিশের সহযোগিতায় যৌথ অভিযানে বীরগঞ্জের ৩ নম্বর শতগ্রাম ইউনিয়নের অর্জুনাহার এলাকার কৃষক মৃত ছমির আলীর ছেলে গোলাম মোর্শেদের বাড়ীর গোয়াল ঘরের পিছনে গর্তে পাটি দিয়ে মোড়ানো পলিথিন প‍্যাচানো মুর্তিটি মাটি খুড়ে উদ্ধার করা হয়।

    ঘটনার সাথে জড়িতদের মধ্যে ঐ এলাকার আবেদ আলীর পুত্র আক্কাস (৪০) কে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।জানা গেছে কোটি কোটি টাকা মূল্যের ঐ কষ্টি পাথরটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র আত্মসাত করতে চেয়েছিল কিন্তু প্রশাসন সজাগ থাকায় তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল হয়নি।বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল গফুর ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন মামলার প্রস্তুতি চলছে ।

  • শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবার চরম অবস্থা: জরুরি পদক্ষেপের দাবি

    শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবার চরম অবস্থা: জরুরি পদক্ষেপের দাবি

    নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  শৈলকুপা উপজেলা ৫০ শয্যার হাসপাতালটি এখন যেন নিজেই রোগী। এক্স-রে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, প্যাথলজি সহ গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে গেছে রিএজেন্টের অভাবে। হাসপাতালটির মাত্র ৭ জন মেডিকেল অফিসার, ২৪ জন নার্স ও ২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে চালানো হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, যা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। সরকারিভাবে জরুরি সেবাগুলোর জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালটির অবস্থা চরম সংকটে।

    হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে জীবাণু মুক্তকরনের সরঞ্জামাদি নেই, ফলে সেলাই, কাটাছেড়া, ক্ষতস্থানে ড্রেসিং ও ব্যান্ডেজের সময় জীবাণু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে হেপাটাইটিস, এইডস এবং অন্যান্য মারাত্মক রক্তবাহিত সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে ১০ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট, ১১ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন এনেস্থিসিয়া, ১ জন ডেন্টাল সার্জন, ১ জন প্যাথলোজিস্ট সহ অন্যান্য স্টাফ থাকার কথা, তবে বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন ধরনের কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার।

    উপজেলার রাজনৈতিক গুণীজন ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে, এর কুপ্রভাব পুরো এলাকার জন্য বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে।

  • চিত্রনায়িকা পপির বিরুদ্ধে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, থানায় জিডি বোনের

    চিত্রনায়িকা পপির বিরুদ্ধে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, থানায় জিডি বোনের

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীনের (পপি) বিরুদ্ধে খুলনায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তাঁর বোন ফিরোজা পারভীন।

    জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পপি সবার বড়। খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় তাঁদের পৈতৃক বাড়ি। কয়েক বছর ধরে অন্য ভাই-বোনদের বঞ্চিত করে পপি ওই বাড়ি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়িটি নিজেদের দখলে নিতে স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল, কল্লোল মজুমদার, শিপন নামের কয়েকজনসহ সেখানে যান পপি। এ সময় বাধা দিলে ফিরোজাসহ সবাইকে গালিগালাজ করে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন পপি ও তাঁর স্বামী।

    পপির বোন ফিরোজা পারভীন জানান, পপি অন্য ভাই-বোনদের বঞ্চিত করে পৈতৃক সম্পত্তি পুরোটাই দখল করতে চান। ২০২৪ সালে ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের বাবা মারা গেছেন। এর পর থেকেই সম্পত্তি নিজেদের করে নিতে বিভিন্ন কার্যক্রম করছেন পপি। সম্পত্তি নিতে বাধা দেওয়ায় তাঁদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন পপি ও তাঁর স্বামী।

    এ অভিযোগকে অসত্য দাবি করেছেন পপির বিশেষ সহকারী কল্লোল মজুমদার। তিনি পপির পক্ষে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোনো সম্পত্তি দখল নিতে যাওয়া হয়নি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই বাড়ির পেছনে পপির নিজের জমি আছে। সেখানে বিদ্যুৎ ও পানির লাইন নিতে দিচ্ছেন না পপির বোন ও ভাইয়েরা। গতকাল লাইন নিতে বিদ্যুতের লোকজনসহ তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু পপির ভাই-বোনেরা সেই বিদ্যুতের মিটার ছিনতাই করে নিয়ে যান। এর বাইরে আর তেমন কিছু ঘটেনি।’

    জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জিডিতে পপির বিরুদ্ধে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দুই শিশু সন্তানকে বিষ দিয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

    দুই শিশু সন্তানকে বিষ দিয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

    শৈলকূপা উপজেলা প্রতিনিধিঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্বামীর পরকিয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন রত্না পারভীন (২৬) নামে এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৯ জানুয়ারী) বেলা দেড়টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে। রত্না পারভীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মাহমুদ হাসানের স্ত্রী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই গৃহবধূকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বেশ কিছুদিন যাবত মাহমুদ হাসানের সাথে তার স্ত্রী রত্না পারভীনের কলহ চলছিল। বুধবার দুপুরের দিকে রত্না পারভীন তার ছেলের নামে পরিচালিত Mahir Abrar নামক ফেসবুক আইডিতে ‘এতো কিছু করার কি দরকার ছিল আপনার বউ বাচ্চা নিয়ে থাকতে পারেননি থাকেন আপনার ছাবিনার নিয়ে আমার সংসার করতে দিলেন না’ স্ট্যাটাস দেন। পরে তিনি বিষমিশ্রিত খাবার খাইয়ে দুই ছেলে আরিয়ান (৫) ও মাহির আবরার (২) কে হত্যা করে। এরপর তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বিষপান করেন। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা রত্না পারভীনকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
    খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপপরিদর্শক প্রদীপ সানা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।
    কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।

  • হাওরের কৃষি ও ফসল সুরক্ষায় সংলাপ

    হাওরের কৃষি ও ফসল সুরক্ষায় সংলাপ

    হাওরের কৃষি প্রতিবেশ ও ফসলের বৈচির্ত্য  সুরক্ষায় নেত্রকোনায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিকের সহযোগিতায় ও পরিবেশবিদ সংগঠন সবুজ সংহতির আয়োজনে বুধবার দুপুর ১টায় জেলার হাওর বিস্তৃত উপজেলা মদন উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

    মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহনা জিন্নাতের সভাপতিত্বে সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অহিদুর রহমান, উপজেলা সবুজ সংহতির আহবায়ক  ইমাম হোসেন মেহেদী, ছাত্র প্রতিনিধি কামরুজ্জামান, মনিরুজ্জামান, নাফিসা আনজুম ইমাম প্রাপ্তি প্রমুখ।

  • বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন মা, দুই বছরের নাঈম ডুবল পাশের ডোবায়

    বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন মা, দুই বছরের নাঈম ডুবল পাশের ডোবায়

    সকালে বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করছিলেন মা লাকী বেগম। এ সময় বাড়ির আঙিনায় খেলছিল তাঁর দুই বছর বয়সী শিশুসন্তান নাঈম হাসান। খেলার একপর্যায়ে মায়ের অগোচরে বাড়ির বাইরে চলে যায় নাঈম। কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীদের চিৎকারে বাড়ির বাইরে ছুটে আসেন লাকী বেগম। বাড়ির পাশের টিউবওয়েলের পানি জমে থাকা ডোবার পানিতে নাঈমকে ভাসতে দেখেন তিনি। তৎক্ষণাৎ ডোবায় ঝাঁপ দিয়ে পানি থেকে নাঈমের নিথর দেহ বুকে জড়িয়ে নেন লাকী বেগম। পরে নাঈমকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে সেখানে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

    আজ বুধবার সকাল আটটার দিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার সকিনাপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নাঈমের বাবা আইয়ুব আলী পেশায় একজন শ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি গাইবান্ধার জেলার বালাসিঘাট এলাকায় একটি চীনা কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজে ছিলেন।

    পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ সকালে বাড়ির উঠানে ছেলে নাঈমকে রেখে বাড়ির কাজ করছিলেন লাকী বেগম। কিছুক্ষণ পর বাড়ির বাইরে প্রতিবেশীদের চিৎকার শুনতে পান। এ সময় বাড়িতে ছেলেকে না দেখতে পেয়ে দৌড়ে বাড়ির বাইরে বের হন লাকী বেগম। বাড়িসংলগ্ন প্রায় ১০ হাত দূরে বাড়ির টিউবওয়েলের পানি জমে থাকার ডোবায় ছেলেকে ডুবে থাকতে দেখেন মা লাকী। এ সময় তিনি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে ছেলেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে নাঈমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

  • উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশে মানুষের উপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা

    উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশে মানুষের উপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা

    কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় অনুষ্ঠিত উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশে উপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গতকাল রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে হাট ও ঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল, নদীভাঙন রোধ, কৃষকের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণসহ ১২ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। তবে ঘুরে-ফিরে কৃষকদের উপস্থিতির সংখ্যা কম নিয়ে বেশি কথা চাউর হচ্ছে।

    কৃষক মহাসমাবেশে অন্তর্বর্তী সরকারের দুজন উপদেষ্টা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁরা আসেননি। তাঁরা কেন এলেন না, এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। যেখানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে লক্ষাধিক লোকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেখানে ৫০০ জনের কম মানুষের উপস্থিতি নিয়ে হতাশ হয়েছেন অনেকে।

    কৃষক মহাসমাবেশের আয়োজকদের ভাষ্য, ইজারাদার ও প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে প্রত্যাশিত মানুষের উপস্থিতি হয়নি। তবে চিলমারী জোড়গাছ এলাকার কৃষক নেতা ও সংগঠক মাহমুদুল হাসান বলছেন, কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সময় নির্ধারণ না করায় এ মহাসমাবেশ ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ।

    গতকাল অনুষ্ঠিত কৃষক মহাসমাবেশে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ নাছির উদ্দিন, লেখক, গবেষক ও সংগঠক রাখাল রাহা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা কনক রহমান, চলচ্চিত্রকার খন্দকার সুমন ও ন্যাপ ভাসানী কুড়িগ্রামের সভাপতি সেলিম খান বক্তব্য দেন। এ ছাড়া মহাসমাবেশের মঞ্চে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের ১৭ জন নেতা-কর্মী, কৃষক প্রতিনিধি ১ জন, মৎস্যজীবী প্রতিনিধি বক্তব্য দেন। মহাসমাবেশের মঞ্চের সামনে দর্শক আসনে কৃষকদের জন্য মাটিতে ত্রিপল বিছানো হয়েছিল। সেখানে ৫০০ জনেরও কম কৃষককে বসে থাকতে দেখা যায়। পাশেই ছিল বিশেষ অতিথি ও সাংবাদিকদের জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা। সেখানে কিছু সাংবাদিক ও অতিথিকে বসে থাকতে দেখা যায়।

    স্থানীয় লোকজন জানান, উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশের জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সাড়ে ৬৫ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ চেয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে। সেই চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মহলে কৃষক মহাসমাবেশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। আর এ কারণে হয়তো মহাসমাবেশে কৃষকের উপস্থিতি ছিল হতাশাব্যঞ্জক।

    যেখানে লক্ষাধিক লোকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেখানে ৫০০ জনের কম মানুষের উপস্থিতি নিয়ে হতাশ হয়েছেন অনেকে। রোববার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ এলাকায়
    যেখানে লক্ষাধিক লোকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেখানে ৫০০ জনের কম মানুষের উপস্থিতি নিয়ে হতাশ হয়েছেন অনেকে। চিঠিতে কৃষক মহাসমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করে ৩০ হাজার কৃষক-জেলের এক বেলা খাবারের জন্য জনপ্রতি ২০০ টাকা করে ৬০ লাখ টাকা, ১০০ জন ভিআইপি অতিথিদের খাবারের জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে ৫০ হাজার টাকা এবং স্টেজ, সাউন্ড সিস্টেম, গেট, লাইটিং, বসার ব্যবস্থা, তোরণ ও অন্যান্য বাবদ ৫ লাখসহ মোট সাড়ে ৬৫ লাখ বরাদ্দ চাওয়া হয়। মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ হাসান (নলেজ) স্বাক্ষরিত এ চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্ক তৈরি হয়।

    এমডি রাহিমুল ইসলাম নামের একজন তাঁর ফেসবুকে কৃষক মহাসমাবেশের ছবিসহ পোস্ট করে লিখেছেন, ‘এত এত মানুষ কুড়িগ্রাম আগে কখনো দেখে নাই। উপস্থিতি ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ প্রত্যাশা করা হলেও উপস্থিতির সংখ্যা খুবই নাজুক।’

    জানতে চাইলে উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাহিদ হাসান  বলেন, ‘সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা কৃষকদের এক বেলা খাবারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের টাকা দেয়নি। উল্টো আমাদের আবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস করে দেয়। পরে হাট ও ঘাটের ইজারাদার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও চরাঞ্চলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সহজ–সরল কৃষকদের বোঝায় যে সরকার টাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকেরা আমাদের প্রোগ্রামে আসতে টাকা দাবি করেন। কৃষকদের হাতে হাতে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা কৃষক সমাবেশে আসা বন্ধ করে দেন।’

    চিলমারীর মতো একটি ছোট উপজেলায় এত মানুষের সমাবেশ সম্ভব কি না—জানতে চাইলে নাহিদ হাসান বলেন, ‘এটি আমাদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ইজারাদার ও প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।’

    স্থানীয় কৃষক নেতা ও সংগঠক মাহমুদুল হাসান বলেন, চিলমারীর মতো জায়গায় ৩০ হাজার কৃষক নিয়ে সমাবেশের কল্পনা করা একটি অলীক স্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়। আয়োজকেরা হয়তো জানেনই না, চিলমারীতে ঠিক কতজন কৃষক আছেন। জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকে কৃষক এই মহাসমাবেশে আসবেন, সেটির জন্য উপযুক্ত সময় এখন নয়। বর্তমানে ইরি ও বোরো ধান লাগানোর সময়। এ সময়ে সমাবেশ না করে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন পরে করলে আরও বেশি কৃষক সমাবেশে আসতেন। তবে সেই সংখ্যা ৩০ হাজার হতো না।

  • রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষে সফল লক্ষ্মীপুরের জামাল

    লক্ষ্মীপুরে বাণিজ্যিকভাবে রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক জামাল। তিনি স্থানীয় বাজারে উচ্চমান পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এ কপির ভালো ফলন পাচ্ছেন। সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামে বাড়ির পাশে এ বছর প্রথম ২০ শতাংশ জমিতে সাদা, গোলাপি, হলুদ ফুলকপি এবং লাল বাঁধাকপি (রেডকেবল) চাষ করেন।

    রঙিন কপি চাষে ফলন আশানুরূপ হয়েছে। এই কপি চাষের খবর স্থানীয় ভাবে জানাজানি হলে আশপাশের এলাকা থেকে কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ দেখতে আসে। অনেকে ক্ষেত থেকে কপি কিনে নিচ্ছেন। এতে কপি চাষে অন্যরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

    রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষে সফল লক্ষ্মীপুরের জামাল

    জামালের ভাষ্যমতে, বাজারে রঙিন কপির দাম বেশি। জমিতে চাষসহ উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। অর্ধেকেরও বেশি লাভ হবে তার। শহরের চকবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২০-৩০ টাকা করে কেজি বিক্রি হচ্ছে। রঙিন ফুলকপির কেজি ১৫০ টাকা। রঙিন বাঁধাকপি ৮০-১০০ টাকা।

    ক্ষেতে রঙিন কপি কিনতে আসেন আক্তার উজ জামান। তিনি জানান, কপিগুলো সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। বাজারে এ কপির চাহিদা আছে। চরমনসা গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘জামাল নতুন করে রঙিন কপি চাষ করেছেন। ভালো সবজি হয়েছে। দামও ভালো। অথচ সাদা কপির দাম কম। উৎপাদন খরচও ওঠে না।’

    কৃষক জামাল বলেন, ‘এ অঞ্চলে আমিই রঙিন কপি চাষ করেছি। অনেকেই এসে চাষের বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন। বাজারে এ কপি সবার নজর কাড়ে। এ ছাড়া আমার বাগানটি একটি এনজিও সংস্থা প্রদর্শনী হিসেবে ব্যবহার করছে।’

    রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষে সফল লক্ষ্মীপুরের জামাল

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসান ইমাম বলেন, ‘পরীক্ষামূলক কৃষক জামাল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ রঙিন কপি আবাদ করেছেন। তিনি ভালো দাম পাচ্ছেন। আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, তারা যেন এ সবজি উৎপাদনে আগ্রহী হোন। এতে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।’