ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের নতুন সম্ভাবনা  নদী দখল ও দূষণে হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজাতি  আতা ফলের ফল ছিদ্রকারি পোকা: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদার গাছ ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষয়ক্ষতি ও টেকসই সমাধান বাংলাদেশে আতা ফলের আগা মরা রোগ: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আনারসের হার্ট রট রোগ – কারণ, লক্ষণ ও টেকসই সমাধান আমলকির কান্ড ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত সমাধান আমলকির গল মাছি – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমলকির স্কেল পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে ৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা

  • কৃষককন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

৫ বছর আগেও বাণিজ্যিকভাবে ফুল বাগান ছিল না পাবনা জেলায়। এখন কয়েক হেক্টর জমিতে করা হয়েছে বাণিজ্যিক ফুল বাগান। সবজি ও অন্যান্য চাষে দফায় দফায় লোকসানে পড়েন। তবে গোলাপ বাগানে ব্যাপক সফলতা মিলেছে টেবুনিয়ার ভজেন্দ্রপুরের তিন ভাইয়ের। ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে এ মাসে ৫ লাখ টাকার গোলাপ বিক্রির আশা তাদের।

জানা যায়, তিন ভাই খন্দকার শরিফুল আলম রানা, খন্দকার আশরাফুল হক শাহিন ও জাফরুল্লাহ। ভজেন্দ্রপুরে তাদের এ পৈতৃক জমিতে ছিল বাঁশঝাড়। অন্য জমিতে সবজি ও বিভিন্ন চাষাবাদ হতো। কোনোভাবেই নিজেদের ভাগ্য বদল সম্ভব হচ্ছিল না। উল্টো দফায় দফায় সবজি চাষে লোকসান গুনতে হয়েছে। এ অবস্থায় বড় ভাই শরিফুল আলম রানা গোলাপ বাগান করার পরামর্শ দেন। তিনি ঢাকায় দীর্ঘদিন নার্সারির সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থাকায় বাঁশঝাড় তুলে দিয়ে দেড় বিঘা জমিতে গোলাপ বাগান করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ভারত এবং দেশের যশোর ও সাভারসহ কয়েকটি অঞ্চল থেকে ১০ হাজার চারা এনে রোপণ করা হয়।

শুরুতেই ভালো উৎপাদন ও দামের কারণে আগ্রহ বাড়ে তিন ভাইয়ের। প্রয়োজনীয় পরিচর্যায় ব্যাপক লাভ ও সফলতায় বেড়েছে বাগানের পরিসর। দেড় বিঘা জমি থেকে ৪ বিঘার তিনটি বাগানে রূপ নেয়। শুরুতে নিজেরা পরিচর্যা করলেও এখন সারাবছর কমপক্ষে ৫ জন করে শ্রমিক কাজ করেন। বাগানে জুমুলিয়া, বিউটি, ভার্গো ও বমবমসহ ৭ প্রজাতির গোলাপ আছে। এসব ফুল লাল, শেড পিংক, অরেঞ্জ, হলুদ ও সাদা রঙের।

বাগান দেখভাল ও বিপণনের দায়িত্বে থাকা ইউনুফ জানান, সারাবছরই গোলাপের কম-বেশি চাহিদা থাকে। বছরের সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে গড়ে দেড় থেকে ২ লাখ টাকার গোলাপ বিক্রি হয়। মাসে খরচ হয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। নভেম্বরের শেষদিক থেকে গোলাপের চাহিদা বাড়তে থাকে, দামও বাড়ে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গোলাপের চাহিদা ব্যাপক। ফেব্রুয়ারি মাসে অসম্ভব চাহিদা। এজন্য এ মাসকে সামনে রেখে বাগানকে অতিরিক্ত যত্ন ও পরিচর্যাও করতে হয়।

তিনি জানান, সপ্তাহজুড়ে ১০০ পিস গোলাপের দাম ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে আছে। সামনে ভালোবাসা দিবস। তাই দু’একদিনের মধ্যে এর দাম বেড়ে প্রতি ১০০ পিস গোলাপ সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় গিয়ে ঠেকবে। এদিক থেকে এ মাসে ৪-৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রির আশা করছেন।

অথরের তথ্য

Abrar Khan

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে ৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা

আপডেট সময় ০৬:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

৫ বছর আগেও বাণিজ্যিকভাবে ফুল বাগান ছিল না পাবনা জেলায়। এখন কয়েক হেক্টর জমিতে করা হয়েছে বাণিজ্যিক ফুল বাগান। সবজি ও অন্যান্য চাষে দফায় দফায় লোকসানে পড়েন। তবে গোলাপ বাগানে ব্যাপক সফলতা মিলেছে টেবুনিয়ার ভজেন্দ্রপুরের তিন ভাইয়ের। ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে এ মাসে ৫ লাখ টাকার গোলাপ বিক্রির আশা তাদের।

জানা যায়, তিন ভাই খন্দকার শরিফুল আলম রানা, খন্দকার আশরাফুল হক শাহিন ও জাফরুল্লাহ। ভজেন্দ্রপুরে তাদের এ পৈতৃক জমিতে ছিল বাঁশঝাড়। অন্য জমিতে সবজি ও বিভিন্ন চাষাবাদ হতো। কোনোভাবেই নিজেদের ভাগ্য বদল সম্ভব হচ্ছিল না। উল্টো দফায় দফায় সবজি চাষে লোকসান গুনতে হয়েছে। এ অবস্থায় বড় ভাই শরিফুল আলম রানা গোলাপ বাগান করার পরামর্শ দেন। তিনি ঢাকায় দীর্ঘদিন নার্সারির সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থাকায় বাঁশঝাড় তুলে দিয়ে দেড় বিঘা জমিতে গোলাপ বাগান করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ভারত এবং দেশের যশোর ও সাভারসহ কয়েকটি অঞ্চল থেকে ১০ হাজার চারা এনে রোপণ করা হয়।

শুরুতেই ভালো উৎপাদন ও দামের কারণে আগ্রহ বাড়ে তিন ভাইয়ের। প্রয়োজনীয় পরিচর্যায় ব্যাপক লাভ ও সফলতায় বেড়েছে বাগানের পরিসর। দেড় বিঘা জমি থেকে ৪ বিঘার তিনটি বাগানে রূপ নেয়। শুরুতে নিজেরা পরিচর্যা করলেও এখন সারাবছর কমপক্ষে ৫ জন করে শ্রমিক কাজ করেন। বাগানে জুমুলিয়া, বিউটি, ভার্গো ও বমবমসহ ৭ প্রজাতির গোলাপ আছে। এসব ফুল লাল, শেড পিংক, অরেঞ্জ, হলুদ ও সাদা রঙের।

বাগান দেখভাল ও বিপণনের দায়িত্বে থাকা ইউনুফ জানান, সারাবছরই গোলাপের কম-বেশি চাহিদা থাকে। বছরের সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে গড়ে দেড় থেকে ২ লাখ টাকার গোলাপ বিক্রি হয়। মাসে খরচ হয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। নভেম্বরের শেষদিক থেকে গোলাপের চাহিদা বাড়তে থাকে, দামও বাড়ে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গোলাপের চাহিদা ব্যাপক। ফেব্রুয়ারি মাসে অসম্ভব চাহিদা। এজন্য এ মাসকে সামনে রেখে বাগানকে অতিরিক্ত যত্ন ও পরিচর্যাও করতে হয়।

তিনি জানান, সপ্তাহজুড়ে ১০০ পিস গোলাপের দাম ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে আছে। সামনে ভালোবাসা দিবস। তাই দু’একদিনের মধ্যে এর দাম বেড়ে প্রতি ১০০ পিস গোলাপ সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় গিয়ে ঠেকবে। এদিক থেকে এ মাসে ৪-৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রির আশা করছেন।