সাইফুল ইসলাম ,পটুয়াখালী প্রতিনিধি গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে বাউফলে পোল্ট্রি খামার এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। স্বল্প পুঁজি থেকে শুরু করে আজ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন অনেক খামারি। বাউফল উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি পোল্ট্রি খামার গড়ে উঠেছে, যা শুধু স্থানীয় চাহিদাই নয়, পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলার চাহিদাও মেটাচ্ছে।
সাইফুল ইসলাম রিপনের গল্প এই সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে শুরু করা তার যাত্রা আজ ৩০ লাখ টাকার সম্পদে রূপ নিয়েছে। খেজুরবাড়িয়া গ্রামে ৩ একর জমিতে তার ৮টি পোল্ট্রি ফার্ম, যেখানে প্রতিদিন ১৪শ নবাজন মুরগী থেকে পাচ্ছেন প্রায় ৭ হাজার টাকার আয়।
বাউফলের পোল্ট্রি শিল্পের সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ ও ঋণ সুবিধার সহজলভ্যতা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে স্থানীয় অভিজ্ঞ খামারিদের পরামর্শ – সবই এই শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাউফল পোল্ট্রি ফার্ম সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির সভাপতি বাচ্ছু সিকদারের মতে, সফল পোল্ট্রি খামারের জন্য স্থানীয় আবহাওয়া সম্পর্কে জ্ঞান, উপযুক্ত হাউজিং ব্যবস্থা, এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। এই খামারগুলো শুধু আর্থিক স্বাবলম্বীতাই নয়, দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
গ্রাম বাংলার এই সাফল্যের গল্প প্রমাণ করে, সঠিক পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। বাউফলের পোল্ট্রি খামারগুলো আজ সেই সম্ভাবনার জীবন্ত উদাহরণ।

কৃষককন্ঠ ডেস্ক 









