ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের নতুন সম্ভাবনা  নদী দখল ও দূষণে হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজাতি  আতা ফলের ফল ছিদ্রকারি পোকা: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদার গাছ ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষয়ক্ষতি ও টেকসই সমাধান বাংলাদেশে আতা ফলের আগা মরা রোগ: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আনারসের হার্ট রট রোগ – কারণ, লক্ষণ ও টেকসই সমাধান আমলকির কান্ড ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত সমাধান আমলকির গল মাছি – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমলকির স্কেল পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

কোথায় আছেন মেজর ডালিম

  • কৃষককন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮০ বার পড়া হয়েছে

মেজর শরিফুল হক ডালিম, যিনি অধিকাংশ মানুষ মেজর ডালিম নামেই চিনেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাসদস্যদের হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। সে সময় তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে মেজর পদে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি লেফটেনেন্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পান, তবে মেজর ডালিম নামেই তিনি পরিচিত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঐ ঘটনায় মেজর ডালিমের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার জন্য এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছিল। পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নিষ্ঠুর ও অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়। মেজর ডালিমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে, কিন্তু তার অস্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে রহস্যাবৃত ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মেজর ডালিমকে আবার জনসম্মুখে দেখা যায়। ৫০ বছরের বেশি সময় পর তাকে আবার দেখতে পেয়ে অনেকেই চমকে যান, কারণ অনেকেই জানতেন না যে তিনি বেঁচে আছেন। তবে মেজর ডালিমের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি।

২০০৯ সালে বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যম “ডেইলি স্টার” সূত্রে জানা যায়, মেজর ডালিম পাকিস্তানে বসবাস করেন এবং তিনি প্রায়ই লিবিয়া, বিশেষত লিবিয়ার বেনগাজিতে যাতায়াত করেন। এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিল যে, মেজর ডালিম বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে একবার বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশ সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা। এই টাস্কফোর্সের প্রধান ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালি-উর-রেহমান।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালি-উর-রেহমান দাবি করেছিলেন যে, মেজর ডালিম কেনিয়া, নাইরোবি সহ আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যবসা করেন এবং সেখানে তার পাসপোর্টও ছিল। এমনকি তিনি কেনিয়ার পাসপোর্টও সংগ্রহ করতে সক্ষম হন, যা তাকে বিভিন্ন দেশে চলাফেরা করতে সুবিধা প্রদান করে।

এই সমস্ত তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, মেজর ডালিমের জীবন খুবই রহস্যময় এবং তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে এখনও অনেক অজানা তথ্য রয়েছে।

অথরের তথ্য

Abrar Khan

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

কোথায় আছেন মেজর ডালিম

আপডেট সময় ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

মেজর শরিফুল হক ডালিম, যিনি অধিকাংশ মানুষ মেজর ডালিম নামেই চিনেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাসদস্যদের হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। সে সময় তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে মেজর পদে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি লেফটেনেন্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পান, তবে মেজর ডালিম নামেই তিনি পরিচিত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঐ ঘটনায় মেজর ডালিমের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার জন্য এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছিল। পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নিষ্ঠুর ও অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়। মেজর ডালিমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে, কিন্তু তার অস্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে রহস্যাবৃত ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মেজর ডালিমকে আবার জনসম্মুখে দেখা যায়। ৫০ বছরের বেশি সময় পর তাকে আবার দেখতে পেয়ে অনেকেই চমকে যান, কারণ অনেকেই জানতেন না যে তিনি বেঁচে আছেন। তবে মেজর ডালিমের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি।

২০০৯ সালে বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যম “ডেইলি স্টার” সূত্রে জানা যায়, মেজর ডালিম পাকিস্তানে বসবাস করেন এবং তিনি প্রায়ই লিবিয়া, বিশেষত লিবিয়ার বেনগাজিতে যাতায়াত করেন। এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিল যে, মেজর ডালিম বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে একবার বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশ সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা। এই টাস্কফোর্সের প্রধান ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালি-উর-রেহমান।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালি-উর-রেহমান দাবি করেছিলেন যে, মেজর ডালিম কেনিয়া, নাইরোবি সহ আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যবসা করেন এবং সেখানে তার পাসপোর্টও ছিল। এমনকি তিনি কেনিয়ার পাসপোর্টও সংগ্রহ করতে সক্ষম হন, যা তাকে বিভিন্ন দেশে চলাফেরা করতে সুবিধা প্রদান করে।

এই সমস্ত তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, মেজর ডালিমের জীবন খুবই রহস্যময় এবং তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে এখনও অনেক অজানা তথ্য রয়েছে।