সিলেট প্রতিনিধি: হাওর, চা, ধান, বালু, পাথর এগুলো মিলিয়ে জেলা সিলেট। প্রকৃতির অন্যতম সৌন্দর্যের ও দেশী মাছের জন্য বিখ্যাত জেলা সিলেট। তবে, এই সময় হাওর অঞ্চলগুলোতে প্রচুর পরিমান দেশি মাছ পাওয়া যেত। এক সময় অনেক পরিমান মাছ পাওয়া যেত শীত মৌসুমে। বর্তমানে বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুড়ে দেখা যায়, দেশী মাছ খুব কম পরিমান পাওয়া যায়, যে টুকু পাওয়া, তাও অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশির কারন হিসাবে বিক্রেতাগন বলেন, আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না তাই দাম বেশি।
হাওরের বিপর্যয়: হাওরের প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর মূল কারন, এখন হাওর অঞ্চলগুলোতে আর মাছের অভয়ারণ্যে নেই বললেই চলে। হাওরগুলো পানি শুকিয়ে মাছ ধরা হয়ে থাকে। যার কারনে দিন কে দিন মাছের বংশ বৃদ্ধি কমে যাচ্ছে, এর চেয়ে বড় সমস্যা গুলো হচ্ছে কারেন্ট জালের ব্যবহার, ইদুর নাশক জাতীয় গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার এবং পাশাপাশি হাওরের জমিতে গুলোতে মাত্রারিক্ত বালাইনাশক ব্যবহার। মাছের বংশ বৃদ্ধি নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। যার যার অবস্থানে নেই কোন চিন্তা। সবাই শুধু মাছ ধরা নিয়ে ব্যস্ত, নেই সরকারী কোন প্রচারণা বা সচেতনা মুলক কোন প্রোগ্রাম, এভাবে চলতে থাকলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে দেশী প্রজাতির মাছ গুলো।। একমাত্র নির্ভর করতে হবে চাষের মাছের উপর, যা অধিক দামে কেনা লাগে এবং স্বাদ পাওয়া যায় না।
দেশীয় মাছের বংশ বৃদ্ধি জন্য প্রয়োজন আমাদের মা মাছ বা ছোট পোনা জাতীয় ধরা থেকে বিরত থাকা, পাশাপাশি সরকারীভাবে বিভিন্ন গন সচেতনতামূলক প্রচারনা চালানো, আসুন “ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে অনেক মাছের সাথে পরিচয় করে দিতে হাওরের মা এবং পোনা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকি। নিজে সচেতন হই অন্য কে ও সচেতন করি”

কৃষককন্ঠ ডেস্ক 








