ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের নতুন সম্ভাবনা  নদী দখল ও দূষণে হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজাতি  আতা ফলের ফল ছিদ্রকারি পোকা: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদার গাছ ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষয়ক্ষতি ও টেকসই সমাধান বাংলাদেশে আতা ফলের আগা মরা রোগ: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আনারসের হার্ট রট রোগ – কারণ, লক্ষণ ও টেকসই সমাধান আমলকির কান্ড ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত সমাধান আমলকির গল মাছি – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমলকির স্কেল পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

সারা দেশে শিশুদের রোটাভাইরাস: শনাক্তের সুযোগ নেই হাসপাতালে

  • কৃষককন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

আসিয়া আফরিন চৌধুরী  শীতের এই মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বাড়ছে। চিকিৎসকরা লক্ষণ দেখে বলছেন, এর বেশিরভাগই রোটাভাইরাসজনিত। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব হাসপাতালে রোটাভাইরাস শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২ হাজার ১৯২ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। আইসিডিডিআরবি, মহাখালী ও মতলব হাসপাতালের তথ্য এই হিসাবের বাইরে রয়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা বরিশাল, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহের সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছেন, পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় কোনো কোনো হাসপাতালে তীব্র শীতেও মেঝেতে শুইয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ভুলভাবে তৈরি করা স্যালাইন শিশুদের খাওয়ানোর ঘটনাও ঘটেছে।

চিকিৎসকদের মতে, রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া মূলত ছোট শিশুদের হয়ে থাকে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অল্প জ্বর ও বমি দেখা যায়। পরবর্তীতে বারবার হলুদ রঙের পাতলা পায়খানা হয়। অনেক ক্ষেত্রে পায়খানার জায়গার আশপাশে লালচে হয়ে যায় এবং শিশুরা ব্যথা অনুভব করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা নিয়ে রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ জানান, “রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা না থাকায় সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অপর্যাপ্ত শয্যা সংখ্যা এবং অপরিকল্পিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি।”

অথরের তথ্য

Abrar Khan

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

সারা দেশে শিশুদের রোটাভাইরাস: শনাক্তের সুযোগ নেই হাসপাতালে

আপডেট সময় ০৬:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

আসিয়া আফরিন চৌধুরী  শীতের এই মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বাড়ছে। চিকিৎসকরা লক্ষণ দেখে বলছেন, এর বেশিরভাগই রোটাভাইরাসজনিত। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব হাসপাতালে রোটাভাইরাস শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২ হাজার ১৯২ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। আইসিডিডিআরবি, মহাখালী ও মতলব হাসপাতালের তথ্য এই হিসাবের বাইরে রয়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা বরিশাল, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহের সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছেন, পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় কোনো কোনো হাসপাতালে তীব্র শীতেও মেঝেতে শুইয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ভুলভাবে তৈরি করা স্যালাইন শিশুদের খাওয়ানোর ঘটনাও ঘটেছে।

চিকিৎসকদের মতে, রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া মূলত ছোট শিশুদের হয়ে থাকে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অল্প জ্বর ও বমি দেখা যায়। পরবর্তীতে বারবার হলুদ রঙের পাতলা পায়খানা হয়। অনেক ক্ষেত্রে পায়খানার জায়গার আশপাশে লালচে হয়ে যায় এবং শিশুরা ব্যথা অনুভব করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা নিয়ে রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ জানান, “রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা না থাকায় সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অপর্যাপ্ত শয্যা সংখ্যা এবং অপরিকল্পিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি।”