পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি বছরে ৮,৫০৩ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০ হেক্টর স্থানীয় জাতের চৈতা বোরো। কৃষকদের সহায়তায় ১,৬০০ জনকে উন্নত জাতের ৫ কেজি বীজ ও ২০ কেজি রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনছার উদ্দিন জানান, সেচ পাম্প প্রদান, খাল-নালা খনন ও পতিত জমি ব্যবহার করলে বোরো চাষ আরও বৃদ্ধি পাবে। মাঠপর্যায়ে গবেষণায় জানা যায়, একসময় এখানে কৃষকরা শুধুমাত্র বৃষ্টির ওপর নির্ভর করতেন, তবে বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় বোরো আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৯৭৮-৭৯ সালে বিএডিসির উদ্যোগে খাল খনন ও ৪৮০টি সেচযন্ত্র বিতরণ করা হয়েছিল, যা রোরো ও ইরি চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরবর্তী সময়ে ভর্তুকি কমে যাওয়ায় এবং অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকল্পটির কার্যকারিতা কমে যায়। বর্তমানে “খামার যান্ত্রিকীকরণ” প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক রাইস প্লান্টার যন্ত্রের সহায়তায় দাসপাড়া ইউনিয়নের ২০ একর জমিতে ব্রিধান-৭৪ জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে ফসল মৌসুমের তারতম্য থাকলেও পৌষ-মাঘ মাস বোরো চাষের উপযুক্ত সময়। বরিশাল, পটুয়াখালীসহ ৭ জেলার কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০টি সেচ পাম্প বিতরণ করা হয়েছে।
সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, সার-ওষুধের দাম কমানো ও ধানের বাজারদর স্থিতিশীল রাখলে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে। বোরো চাষ সম্প্রসারিত হলে কৃষির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে।

কৃষককন্ঠ ডেস্ক 








