নিজস্ব সংবাদদাতাঃ শৈলকুপা উপজেলা ৫০ শয্যার হাসপাতালটি এখন যেন নিজেই রোগী। এক্স-রে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, প্যাথলজি সহ গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে গেছে রিএজেন্টের অভাবে। হাসপাতালটির মাত্র ৭ জন মেডিকেল অফিসার, ২৪ জন নার্স ও ২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে চালানো হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, যা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। সরকারিভাবে জরুরি সেবাগুলোর জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালটির অবস্থা চরম সংকটে।
হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে জীবাণু মুক্তকরনের সরঞ্জামাদি নেই, ফলে সেলাই, কাটাছেড়া, ক্ষতস্থানে ড্রেসিং ও ব্যান্ডেজের সময় জীবাণু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে হেপাটাইটিস, এইডস এবং অন্যান্য মারাত্মক রক্তবাহিত সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে ১০ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট, ১১ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন এনেস্থিসিয়া, ১ জন ডেন্টাল সার্জন, ১ জন প্যাথলোজিস্ট সহ অন্যান্য স্টাফ থাকার কথা, তবে বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন ধরনের কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার।
উপজেলার রাজনৈতিক গুণীজন ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে, এর কুপ্রভাব পুরো এলাকার জন্য বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে।

কৃষককন্ঠ ডেস্ক 







