ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের নতুন সম্ভাবনা  নদী দখল ও দূষণে হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজাতি  আতা ফলের ফল ছিদ্রকারি পোকা: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদার গাছ ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষয়ক্ষতি ও টেকসই সমাধান বাংলাদেশে আতা ফলের আগা মরা রোগ: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আনারসের হার্ট রট রোগ – কারণ, লক্ষণ ও টেকসই সমাধান আমলকির কান্ড ছিদ্রকারি পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত সমাধান আমলকির গল মাছি – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমলকির স্কেল পোকা – জীবনচক্র, ক্ষতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাব: রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে চ্যালেঞ্জ

  • কৃষককন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

 

ঢাকা: নির্বাচনী সংস্কার কমিশন, যা গত কয়েক মাস ধরে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কাজ করে আসছে, এবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এই প্রস্তাবগুলো আগামী ৩ জানুয়ারি সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। কমিশন তাদের প্রস্তাবে ‘না’ ভোটের বিধান চালু, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ এবং নির্দলীয় প্রতীকে ভোটের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

কমিশন জানিয়েছে, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তারা বেশ কিছু প্রস্তাব তৈরি করেছে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গঠন এই সংস্কারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বিএনপির মধ্যে ‘না’ ভোট নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আসলে যারা ভোটকেন্দ্রে যারা যায়, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটই দিতে যায়। অতীতে একবার চালু হয়েছিল, তখন আমরা দেখছি না ভোটে মানুষের আগ্রহ নেই। এতে পরিস্থিতি জটিলতার দিকে যায়।”

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, তারা এখনো ‘না’ ভোট নিয়ে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত করেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবে।

এছাড়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদা রওনক খান বলছেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংস্কার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন আয়োজন করতে হবে সরকারকে। সেক্ষেত্রে ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে যাবে সরকারের জন্য।”

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার আশা প্রকাশ করেছেন, “আমরা আমাদের প্রস্তাবনা দিবো। আশা করবো রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। এখন কেউ একমত না হলেও প্রয়োজনে পরে একমত হবে।”

কমিশনের মতে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে, এবং তাই তারা নতুন কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছে যাতে আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠুতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এসব সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কিনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা যাবে কিনা।

অথরের তথ্য

Abrar Khan

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাব: রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

 

ঢাকা: নির্বাচনী সংস্কার কমিশন, যা গত কয়েক মাস ধরে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কাজ করে আসছে, এবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এই প্রস্তাবগুলো আগামী ৩ জানুয়ারি সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। কমিশন তাদের প্রস্তাবে ‘না’ ভোটের বিধান চালু, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ এবং নির্দলীয় প্রতীকে ভোটের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

কমিশন জানিয়েছে, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তারা বেশ কিছু প্রস্তাব তৈরি করেছে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গঠন এই সংস্কারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বিএনপির মধ্যে ‘না’ ভোট নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আসলে যারা ভোটকেন্দ্রে যারা যায়, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটই দিতে যায়। অতীতে একবার চালু হয়েছিল, তখন আমরা দেখছি না ভোটে মানুষের আগ্রহ নেই। এতে পরিস্থিতি জটিলতার দিকে যায়।”

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, তারা এখনো ‘না’ ভোট নিয়ে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত করেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবে।

এছাড়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদা রওনক খান বলছেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংস্কার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন আয়োজন করতে হবে সরকারকে। সেক্ষেত্রে ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে যাবে সরকারের জন্য।”

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার আশা প্রকাশ করেছেন, “আমরা আমাদের প্রস্তাবনা দিবো। আশা করবো রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। এখন কেউ একমত না হলেও প্রয়োজনে পরে একমত হবে।”

কমিশনের মতে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে, এবং তাই তারা নতুন কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছে যাতে আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠুতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এসব সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কিনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা যাবে কিনা।