উপকূলের কৃষকদের মাঝে সূর্যমুখী চাষ এর সাফল্যের মুখ দেখা যাচ্ছে। এই বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখী খেত পরিচর্যা নিয়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এবং ভালো ফলন ঘরে তোলার আশায় আছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই বছরে মোট ১৯৫০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইসান-৩৩, বারি সূর্যমুখী-১ ও বারি সূর্যমুখী-২ জাতের ফুলের চাষ বেশি করেছে কৃষকরা। এ বছর প্রায় ১২’শ হেক্টর জমিতে এ ফুলের চাষ বেশি হয়েছে তুলনা করে গত বছরের। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় কমবেশি সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে বলে কৃষি অফিস জানিয়েছে।
সূর্যমুখী চাষ উপকূলের কৃষকদের মাঝে একটি নতুন আশার উদাহরণ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখী চাষের সফলতা দেখে অনেকে আরও এই ফুলের চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। কৃষকদের মধ্যে এই ফুলের চাষের সংশ্লিষ্ট পরিচর্যা ও উপযোগী পরামর্শের উপলব্ধির জন্য অধিকাংশ উপকূলের কৃষি অফিস কাজ চালাচ্ছেন।
সূর্যমুখী ফুলের চাষের সফলতা একটি আশাবাদী অবস্থা যা উপকূলের কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে একটি নতুন দিক খুলে দেখাচ্ছে। আশা করা যায় যে, এই সাফল্যের প্রভাব উপকূলের কৃষকসম্প্রদায়ের উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে একটি উদাহরণ স্থাপন করবে।

Leave a Reply