সিলেট বিশ্বনাথে হাইব্রিড কাজলা জাতের বেগুন চাষে লাভবান চাষী

মোঃ শহিদুল ইসলাম, সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রায়পুর গ্রাম ও পাশাপাশি অনেক গ্রামে তাল বেগুন বা কেজি বেগুন নামে লোকাল ভাষায় বলে, বড় সাইজের বেগুন চাষ হয়ে থাকে।

তবে, স্থানীয় যে জাত টি চাষ করা হয়ে থাকে, এই জাতটির ফলন দেরিতে পাওয়া যায়, রোগ-প্রতিরোধ অনেক কম, ফলন ভালো হলেও গাছ মারা যায় অনেক বেশি এবং পোকার আক্রমন খুব মারাত্নক। এই সমস্যা সমাধানে কৃষি অফিস থেকে কোন প্রকার ভালো পরামর্শ পান নাই। এলাকার বেশির ভাগ জমি পরিদর্শনে দেখা যায়, স্থানীয় জাত যে সকল চাষীগন করেছেন, তাদের খরচের টাকা উঠবে না, তাঁদের অনেক লোকসান হবে।

পাশাপাশি উক্ত এলাকার একজন চাষী মো: নজির মিয়ার সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ইউনাইটেড সিডের মার্কেটিং অফিসার মো: আব্দুস সাত্তারের সাথে পরিচয় হয় এবং তাঁর পরামর্শে এই বছর তাঁর জমিতে ইউনাইটেড সিডের হাইব্রিড বড় সাইজের কাজলা জাতের বেগুন চাষ করেন। কাজলা জাতের বেগুন চাষ করে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছেন।

কাজলা জাতের বেগুন টি চারা রোপনের মাত্র ৬৫-৭০ দিনে ফসল তোলা যায়, গড় ওজন ৮০০গ্রাম ১২০০গ্রাম ওজন হয়ে থাকে, খেতে সুস্বাদু ও মজাদার, ভিতরে বীজের পরিমান কম থাকে, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি, একটা গাছে ১৫-২০ টি ফল তোলা যায়। তিনি এই জাতটি চাষ করে অনেক লাভবান হবেন- ইনশাআল্লাহ । তিনি কাজলা জাতের বেগুন চাষ করতে এলাকার চাষীদের উৎসাহ দিচ্ছেন।। প্রথম তোলায় তিনি ৫০-৬০টাকা কেজি দরে পাইকারী বিক্রি করেছেন। বর্তমানে বাজারে ৩০-৪০ টাকা কেজিতে পাইকারী বিক্রি করতে পারতেছেন।

সামনে রমজানে সময় কেজি বা তাল বেগুনের চপ বা বেগুনীর চাহিদা অনেক বেশি থাকে। খেতে সুস্বাদু ও সিলেট জনপ্রিয় বড় বেগুন বেশি চলে। বেগুন মানব দেহের অনেক রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বাড়ায় ও ভিটামিন চাহিদা পুরন করে। সামনের রজমানের চাহিদা অনুসারে আশা করা যায় তাঁর এই জমি থেকে তিনি ২-২.৫ লক্ষ টাকার বেগুন বিক্রি করতে পারবেন।।।। তাঁর খরচ বাদে প্রায় ১-১.৫ লক্ষ লাভ করতে পারবেন। কাজলা জাতের বেগুন চাষ করে তিনি লাভবান, ভালো বীজ দেয়ার জন্য তিনি ইউনাইটেড সীড কোম্পানী কে ধন্যবাদ প্রদান করেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *