দিনাজপুরের হিলিতে এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা, শামীম খান, প্রথমবারের মতো কিনোয়া ও চিয়া সিড চাষের প্রয়োজন মহুল প্রকাশ করেছেন। এই অভিজ্ঞতার ফলে উপকূলের কৃষকরা নতুন ফসল চাষাবাদে উৎসাহিত হচ্ছেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও অন্যান্য সংস্থাগুলি এই প্রচেষ্টার সহায়তায় নির্দিষ্ট সফলতা লাভ করছেন।
শামীম খান, একজন হিলির বোয়ালদার গ্রামের মূল বাসিন্দা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাস্টার্স অনার্স করেছেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র অফিসার হিসেবে চাকরি করেছিলেন, তবে তার কৃষিকাজে আগ্রহ ছিলো। তাই তিনি বেসরকারি জীবিকায় বিদ্যমান না থাকেন। বরং তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন কৃষিকাজে।
শামীম খান জানা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সুপারফুড হিসেবে পরিচিত কিনোয়া বীজটি আপাত কিন্তু পুষ্টিমান। তাই তিনি প্রথম চেষ্টা চালানোর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে বীজ সংগ্রহ করেন এবং ৪২ শতাংশ জমিতে আবাদ করেন। ফলে এই অঞ্চলে নতুন এই ফসল চাষাবাদে একটি নতুন সম্ভাবনা প্রতীত হয়েছে।
এখানে চাষ করা যায় ৬০-৭০ দিনের মধ্যে। প্রতি বিঘা জমি থেকে তিন-চার মণ পরিমাণে ফলন হতে পারে। আপাত বাজার জনপ্রিয় নয়, কিন্তু প্রতি কেজি কিনোয়ার দাম ৬০০-৮০০ টাকা।
শামীম খানের সফলতা একটি আশাবাদী উদাহরণ। তার অভিজ্ঞতার পরিণতি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আরো এই ফসল চাষাবাদের উপর আগ্রহ উৎপাদন করছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও অন্যান্য সংস্থাগুলি যথাযথ সহায়তার মাধ্যমে এই প্রচেষ্টার অনুষ্ঠান লাভবান হয়েছে।.

Leave a Reply