hacklink hack forum hacklink film izle hacklink romabetkingbet188onwintaraftarium24deneme.bonusu veren.sitelercasinolevant

Author: Khairul Bashar

  • বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উপলক্ষে মেলার আয়োজন

    বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উপলক্ষে মেলার আয়োজন

    বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উপলক্ষে মেলার আয়োজন

    বরিশাল: আসন্ন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের উপলক্ষে বরিশালের পরিবেশ ভবন প্রাঙ্গণে এক বিশাল পরিবেশ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলা আগামী ৬ থেকে ৮ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলবে। পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    মেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রদর্শনী, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের বক্তৃতা, ছাত্র উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী এবং স্থানীয় জনগণের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

    এই মেলা পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি সাধারণ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা এবং পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রসারে সহায়ক হবে। এ উপলক্ষে সবাইকে এই মেলা পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

    READ MORE 

  • ভারতের কৃষি সেক্টর একটি ব্যাপক ও বহুমুখী খাত

    ভারতের কৃষি সেক্টর একটি ব্যাপক ও বহুমুখী খাত

    ভারতের কৃষি সেক্টর একটি ব্যাপক ও বহুমুখী খাত

    ভারতের কৃষি সেক্টর অর্থনীতির একটি প্রধান অংশ এবং এর জাতীয় অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব রয়েছে। দেশের বেশিরভাগ গ্রামীণ অর্থনীতি কৃষিনির্ভর এবং এই সেক্টরে ভারতের জিডিপির প্রায় ১৭% অবদান রাখে পাশাপাশি দেশের প্রায় ৫৮% মানুষ কৃষিকাজে সরাসরি জড়িত। । ভারতের কৃষি সেক্টর একটি ব্যাপক ও বহুমুখী খাত যা দেশের জনসংখ্যার এক বড় অংশকে জীবিকা প্রদান করে। ভারতের কৃষি  খাত দেশের অর্থনীতির একটি মৌলিক অংশ এবং তার উন্নয়নের জন্য নানা ধরনের প্রয়াস চালানো হচ্ছে।

    বিশ্ববাজারে কৃষি পণ্যের একটি বড় রপ্তানিকারক ভারত । মসলা, চা, কফি, ধান এবং অন্যান্য শস্য প্রধান রপ্তানি পণ্য। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, অপর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এবং উচ্চ উৎপাদন খরচ ভারতের কৃষি খাতের সামনে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ। এই ধরণের কৃষি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের মাধ্যমে ভারত তার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলেছে এবং বিশ্ব বাজারে একটি প্রতিষ্ঠিত স্থান নিয়েছে।

    ভারত বিভিন্ন ধরনের ফসল

    ভারত বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনের জন্য পরিচিত। ধান, গম, মকাই (ভুট্টা), চিনি আখ, ডাল, সরিষা, আলু, তিল, মুগডাল, আরহর ডাল এবং অন্যান্য শস্য প্রধানত উৎপাদিত হয়। এছাড়াও, ভারত চা, কফি, এবং মসলা জাতীয় ফসলের একটি বড় উৎপাদক। ভারতের কৃষি সেক্টরে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে চলেছে, যেমন ড্রিপ সেচ, স্প্রিঙ্কলার সেচ, হাইব্রিড বীজ, এবং উন্নত কীটনাশক ও সারের ব্যবহার। এই প্রযুক্তিগুলি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং কৃষি খাতের দক্ষতা উন্নয়ন করতে সাহায্য করছে।

    ভারতের বড় একটি অংশ বর্ষানির্ভর কৃষি পদ্ধতিতে নির্ভরশীল, তবে সেচের উন্নয়ন অনেক এলাকায় চাষাবাদ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। নদী ও ড্যাম থেকে পানি নিয়ে বড় সেচ প্রকল্প গড়ে উঠেছে। ভারত সরকার কৃষি খাতে নানা নীতি ও সহায়তা প্রদান করে থাকে, যেমন কৃষকদের জন্য সহায়তা মূল্য, সার ও কীটনাশকের উপর ভর্তুকি, এবং কৃষি ঋণ সুবিধা।

    ভারত বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনে বিশেষজ্ঞ। প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে ধান, গম, এবং মকাই রয়েছে। এছাড়াও, দেশটি মসলা, চা, কফি, সবজি এবং ফলের মতো বাণিজ্যিক ফসলেরও একটি বড় উৎপাদক। সেচ প্রকল্প, জৈবিক কৃষি, হাইড্রোপনিক্স এবং এরিয়াপনিক্স সিস্টেম, জিন প্রযুক্তি ও হাইব্রিড বীজের মাধ্যমে ভারতের কৃষি ধীরে ধীরে আধুনিকীকরণ হচ্ছে। এই প্রযুক্তিগুলি ফসলের ফলন বাড়িয়ে দেয় এবং পারিবারিক খরচ কমায়।

    কৃষি প্রধানত ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকা শক্তি। সরকার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা প্রকল্প, যেমন ভর্তুকি, কৃষি ঋণ এবং বীমা সুবিধা প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন প্রদেশে সেচের জন্য নদী ও ড্যামের পানি ব্যবহৃত হয়। তবে অনেক এলাকায় অপর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা কৃষি উৎপাদনে বাধা দেয়।

    জলবায়ু পরিবর্তন, অপর্যাপ্ত বাজার অবকাঠামো, ঋণভার, এবং শিক্ষার অভাব কৃষি উন্নয়নের প্রধান বাধা। অত্যধিক ভরসা পূর্ণবর্ষায় এবং অপর্যাপ্ত সেচ সুবিধা কৃষি উৎপাদনকে প্রায়ই অনিশ্চিত করে তোলে। ভারত বিশ্বের বাজারে মসলা, চা, কফি, তামাক, এবং ফল জাতীয় পণ্য রপ্তানি করে থাকে। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাহায্য করে।

    ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে উৎপাদিত কৃষি পণ্য

    ভারতে বিভিন্ন প্রকারের কৃষি পণ্য ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন জলবায়ু ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ধান উৎপাদক দেশ। বাংলা, উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, আন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, ওড়িশা এবং বিহার প্রধান ধান উৎপাদক রাজ্য। উত্তর ভারত বিশেষত পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, এবং মধ্য প্রদেশ গম উৎপাদনে অগ্রণী।

    কর্নাটক, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, এবং আন্ধ্র প্রদেশ প্রধান মকাই (ভুট্টা) উৎপাদক রাজ্য। উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র ভারতের প্রধান চিনি আখ উৎপাদক রাজ্য। আন্ধ্র প্রদেশ, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা, এবং কর্নাটক প্রধান তামাক উৎপাদক রাজ্য। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, এবং পাঞ্জাব ভারতের প্রধান তুলা উৎপাদক রাজ্য।

    মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান, এবং গুজরাট প্রধান তেল বীজ (সরিষা, সয়াবিন, সূর্যমুখী) উৎপাদক রাজ্য। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফল এবং সবজি উৎপাদক। মহারাষ্ট্র, আন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রধান ফল ও সবজি উৎপাদক রাজ্য। আসাম, পশ্চিমবঙ্গ (দার্জিলিং), এবং কেরালা (মুন্নার) প্রধান চা উৎপাদক। কর্নাটক (কুর্গ), কেরালা (ওয়ায়ানাড) এবং তামিলনাড়ু (নীলগিরি) প্রধান কফি উৎপাদক।

    এই ফসলগুলি ভারতের কৃষি উৎপাদনের প্রধান অংশ এবং এগুলি দেশের কৃষি রপ্তানিতে অবদান রাখে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

    Stay Connected With Our Facebook Page 

  • উদ্যোক্তা কে? কেন একজন মানুষকে উদ্যোক্তা বলা হয়?

    উদ্যোক্তা কে? কেন একজন মানুষকে উদ্যোক্তা বলা হয়?

    উদ্যোক্তা কে? কেন একজন মানুষকে উদ্যোক্তা বলা হয়?

    উদ্যোক্তা হলেন সেই ব্যক্তি যিনি নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে তোলেন, নতুন পণ্য বা সেবা প্রদান করেন, এবং সমাজে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। উদ্যোক্তাদের মূল কাজ হলো নতুন বাজারে নতুন পণ্য অথবা সেবা প্রদান করা, নতুন প্রযুক্তি বা পদ্ধতি বিকাশ করা, এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। একজন উদ্যোক্তা প্রায়ই ব্যবসায়িক ঝুঁকি গ্রহণ করে থাকেন এবং তার উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নবীন চিন্তার প্রসার ঘটান।

    উদ্যোক্তারা নতুন পণ্য বা সেবার ধারণা প্রদান করেন, যা বাজারে নতুনত্ব এনে দেয়। তারা ব্যবসায়ের সৃজনশীল পরিকল্পনা করেন এবং এটি বাস্তবায়নে নিযুক্ত থাকেন, যা প্রতিষ্ঠানের বৃদ্ধি ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। উদ্যোক্তারা ব্যবসায়িক ঝুঁকি গ্রহণ করেন এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করেন।

    তারা তাদের ব্যবসায়ের মাধ্যমে নতুন চাকরি সৃষ্টি করেন, যা সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে। অনেক উদ্যোক্তা তাদের ব্যবসায়ের মাধ্যমে সামাজিক ইস্যুগুলি সমাধান করার চেষ্টা করেন, যেমন পরিবেশ রক্ষা, শিক্ষা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি। একজন উদ্যোক্তা তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সরাসরি অবদান রাখেন, এই কারণেই তাকে উদ্যোক্তা বলা হয়।

    একজন উদ্যোক্তা কেন ব্যবসায়িক ঝুঁকি গ্রহণ করেন

    এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এই কারণগুলি উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক লক্ষ্য, অভিপ্রায় এবং সামগ্রিক কৌশলের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত। উদ্যোক্তারা প্রায়ই নতুন বাজারের সুযোগ খুঁজে বের করেন এবং তা ধরতে গিয়ে ব্যবসায়িক ঝুঁকি গ্রহণ করেন। এই সুযোগগুলি প্রায়শই উচ্চ লাভের সম্ভাবনা বহন করে।

    উদ্যোক্তারা নতুন প্রযুক্তি, পণ্য, বা সেবা উদ্ভাবন করতে চান। এই ধরনের উদ্ভাবন প্রায়ই বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়ে আসে কারণ তা পূর্বানুমান করা কঠিন যে বাজারে এটি কতটা সাড়া ফেলবে। নতুন বাজারে প্রবেশ করা বা নতুন ব্যবসায় চালু করা প্রায়ই বিভিন্ন অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি বহন করে। বাজার গবেষণা এবং বিপণন কৌশল সত্ত্বেও, প্রত্যাশিত সাফল্য নিশ্চিত নয়।

    অনেক উদ্যোক্তা তাদের নিজের বস হওয়ার জন্য এবং নিজেরাই তাদের কর্মজীবনের দিকনির্দেশনা ঠিক করার জন্য ঝুঁকি নেন। এই স্বাধীনতা পেতে গিয়ে তাদের আর্থিক ও পেশাগত ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়। উদ্যোক্তারা সামাজিক, পরিবেশগত, অথবা অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বৃহত্তর প্রভাব সৃষ্টির জন্য ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক হয়।

    আর এই ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই উদ্যোক্তারা নতুন বাজার তৈরি করে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি অর্জন করে, এবং সামাজিক পরিবর্তনে অবদান রাখে। একইসাথে, এই ঝুঁকি গ্রহণের কারণেই উদ্যোক্তারা ব্যবসায়িক সাফল্যের চূড়ান্ত ফলাফল অর্জন করতে পারেন।

    সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নে উদ্যোক্তা

    উদ্যোক্তারা সমাজে নতুন চাকরি সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন উপায়ে সমাজের উন্নয়নে সহায়তা করেন। উদ্যোক্তারা নতুন ধারণা এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন ব্যবসা গড়ে তোলেন। এই নতুন ব্যবসা গুলো পণ্য বা সেবা উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের জন্য মানুষ নিয়োগ করে, যা সরাসরি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করে।

    উদ্যোক্তারা নতুন বাজার খুঁজে বের করে এবং বাজারে প্রবেশ করার মাধ্যমে তাদের ব্যবসা বাড়ান। বাজার বিস্তারের মাধ্যমে আরও বেশি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা সমাজে আর্থিক সক্রিয়তা বাড়ায়। উদ্যোক্তারা প্রায়শই নতুন প্রযুক্তি বা প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করে থাকেন। এই উদ্ভাবনগুলি অন্যান্য শিল্প ও সেক্টরগুলিতে প্রয়োগ করা হলে, সেগুলি থেকে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়।

    তারা তাদের পণ্য বা সেবার জন্য সাপ্লাই চেইন এবং বিতরণ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। এই নেটওয়ার্কগুলি পরিচালনা করতে গিয়ে আরও চাকরির সৃষ্টি হয়। উদ্যোক্তারা প্রায়ই তাদের ব্যবসার মাধ্যমে অন্যান্য শিল্পের বিকাশে সাহায্য করেন, যেমন টেকনোলজি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিসেবা ইত্যাদি। এই প্রক্রিয়া সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে আরও চাকরির সৃষ্টি করে। এইভাবে উদ্যোক্তারা নতুন চাকরি সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে অবদান রাখেন, যা ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত দুই পর্যায়ে প্রভাব ফেলে।

    Our Facebook Page 

  • গভীর রাতে পাবনায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    গভীর রাতে পাবনায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    গভীর রাতে পাবনায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

     জেলা প্রতিনিধি  পাবনা

    ডিবি পুলিশ পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানকে গ্রেফতার করেছে। গত শুক্রবার (২৪ মে) রাত ১২টার দিকে দোগাছী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পরে তাঁকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করেন।

    পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরান আহমেদ তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় দোগাছী ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সুলতান মাহমুদ খান একাধিক মামলার আসামি বিষয়টি পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী নিশ্চিত করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে। আর ঐ গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গত রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ভাঁড়ারা ইউনিয়ন রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে খ্যাতি আছে। গত ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনের ঠিক ১৫ দিন আগে ১১ ডিসেম্বর দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মাহমুদ খান ও ইয়াসিন আলমের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। ঐ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ছিলেন তৎকালীন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান। দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আলম নিহত হন। নৌকার প্রার্থী এবং টানা ২৫ বছরের চেয়ারম্যান ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খানকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সুলতান মাহমুদ ২০২২ সালের ১৫ জুন ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। আবু সাঈদ খান এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। বর্তমান চেয়ারম্যান মোশারোফ হোসেনের পক্ষে মো. সুলতান মাহমুদ উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।

    গ্রেফতারের বিষয়ে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারোফ হোসেন পাশাপাশি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাাঁড়া মেলেনি।

    facebook page

  • আজ ২৫শে মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী

    আজ ২৫শে মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী

    আমাদের বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী (২৫শে মে) আজ। প্রেম, মানবতা ও বিদ্রোহের প্রতীক হিসেবে তাঁর জন্ম হয়েছিলো। তিনি বাংলাদেশ এবং ভারতের অন্যতম একজন বিখ্যাত কবি, গীতিকার এবং সঙ্গীত রচয়িতা। ১৮৯৯ সালে ২৫শে মে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম হয়েছিল, যা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ভারতে অবস্থিত। নজরুল ইসলামকে প্রায়শই ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে অভিহিত করা হয় কারণ তাঁর রচনায় বিদ্রোহের স্পিরিট এবং সামাজিক ও ধর্মী য় অসামঞ্জস্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। তাঁর জন্মদিন বাংলাদেশে জাতীয় কবি দিবস হিসেবে পালিত হয়।

    কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ প্রতিভা হিসেবে পরিচিত। তাঁর লেখনী বিভিন্ন ধরণের সাহিত্যিক কর্মে পরিপূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে কবিতা, গান, নাটক, প্রবন্ধ এবং ছোটগল্প। নজরুলের লেখায় প্রায়শই বিদ্রোহী ভাবনা, সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ধর্মনিরপেক্ষতা এবং মানবতাবাদী আদর্শের প্রতিফলন ঘটে। নজরুলের কবিতা বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লব সৃষ্টি করে। “বিদ্রোহী” এবং “প্রলয়োল্লাস” তাঁর অসামান্য কবিতার উদাহরণ, যেখানে তিনি নিজেকে একজন বিদ্রোহী হিসেবে অভিহিত করেন।

    নজরুল সঙ্গীতে তাঁর অবদান অসীম। তিনি নজরুল গীতি নামে পরিচিত অনেক গান রচনা করেছেন, যা আজও বাঙালি সংস্কৃতির অঙ্গ হিসেবে গৃহীত। নজরুলের নাটকগুলি প্রায়ই সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুগুলি তুলে ধরে। “ব্যথার দান” এবং “আলেয়া” উল্লেখযোগ্য। তাঁর প্রবন্ধগুলি বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয়, এবং দার্শনিক বিষয়ে গভীর চিন্তা-চেতনার প্রকাশ ঘটায়। তিনি বিভিন্ন ছোটগল্প লিখেছেন, যেগুলি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। নজরুলের লেখনী তাঁর সাময়িক সমাজের বিদ্রোহী মনোভাবকে প্রতিফলিত করে এবং সাহিত্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

    কাজী নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে অভিহিত করা হয় কারণ তাঁর লেখনী এবং কবিতায় সামাজিক, ধর্মীয়, এবং রাজনৈতিক অবিচারের বিরুদ্ধে এক তীব্র বিদ্রোহের স্বর প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি তাঁর লেখায় মানবাধিকার, স্বাধীনতা, এবং সমতা লাভের জন্য সব ধরণের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ডাক দিয়েছেন।

    নজরুলের কবিতা “বিদ্রোহী” তাঁর বিদ্রোহী মানসিকতার এক অনন্য নিদর্শন। এই কবিতায় তিনি নিজেকে বিদ্রোহের এক প্রতীক হিসাবে উপস্থাপন করেছেন, যা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। তিনি তাঁর লেখায় সামাজিক অসাম্য, ধর্মীয় মৌলবাদ, এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রখর কণ্ঠ উচ্চারণ করেছেন।

    নজরুল তাঁর লেখনীতে সব ধরণের ধর্মীয় ও সামাজিক বৈষম্যের প্রতিবাদ করেছেন এবং মানবজাতির মুক্তির জন্য কলম ধরেছেন। তিনি হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির জন্যও সক্রিয়ভাবে লেখনী এবং কাজ করেছেন। এসব কারণেই তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন এবং তাঁর লেখনী আজও বাঙালি জাতীয় চেতনা ও বিদ্রোহের এক অনুপ্রেরণা।

    কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে বাংলাদেশে এবং ভারতের বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতীয় কবি দিবস হিসাবে পালিত হয়। এই দিনটি তাঁর সাহিত্য ও দার্শনিক আদর্শগুলোর স্মরণে বিভিন্ন উদযাপন এবং কর্মসূচী দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। নজরুলের সমাধি অথবা ভাস্কর্যের নিকট মানুষজন পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে এবং শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নজরুলের কবিতা, গান এবং নাটক পরিবেশন করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। নজরুলের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিদ্বজ্জন এবং শিক্ষাবিদরা তাঁর কাজের বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন করবেন। আজ নজরুল জয়ন্তীতে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা নজরুলের কাজ নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করবেন। টেলিভিশন এবং রেডিও চ্যানেলগুলিও আজকের এই দিনে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার স্কুল ও কলেজগুলোতে নজরুলের কবিতা পাঠ এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    এই দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের বাঙালি সম্প্রদায়ের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাঁর চিন্তা ও সাহিত্যের প্রভাব উদযাপনের মাধ্যমে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।

    facebook page

  • লেটুস পাতার বিভিন্ন রোগ এবং এর প্রতিকারের বিষয়ে জানা জরুরি।

    লেটুস পাতার বিভিন্ন রোগ এবং এর প্রতিকারের বিষয়ে জানা জরুরি।

    লেটুস পাতার বিভিন্ন রোগ এবং এর প্রতিকারের বিষয়ে জানা জরুরি। এখানে কিছু সাধারণ রোগ এবং তাদের চিকিৎসার উপায় দেওয়া হলো:

    1.ডাউনি মিলডিউ (Downy Mildew) – এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ যা লেটুসের পাতায় হলুদাভাব বা বাদামি দাগ তৈরি করে। প্রতিকারের জন্য ছত্রাকনাশক স্প্রে করা যেতে পারে এবং লেটুস চাষের স্থানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা উচিত।

    2.ব্যাকটেরিয়াল লিফ স্পট (Bacterial Leaf Spot) – এই রোগে পাতায় ক্ষুদ্র জলপাই রঙের দাগ দেখা যায়। প্রভাবিত পাতা অপসারণ এবং সংক্রমিত স্থানে ব্যাকটেরিয়ারোধী স্প্রে ব্যবহার করা হয়।

    3.ফিউজারিয়াম উইল্ট (Fusarium Wilt) – এই রোগ লেটুসের পাতা এবং ডালপালাকে শুকিয়ে ফেলে। এর জন্য রোগমুক্ত বীজ এবং মাটির সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

    4.এফিডস (Aphids) – এটি এক ধরণের পোকা যা লেটুসের রস চুষে নেয়। পোকামাকড় দমনে নিম অয়েল বা অন্যান্য প্রাকৃতিক কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।

    এছাড়াও, লেটুস চাষে সঠিক পরিচর্যা এবং পুষ্টিমান সমৃদ্ধ মাটি ব্যবহার করা উচিত যাতে পাতাগুলো স্বাস্থ্যজনক থাকে এবং রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়ে।

    লেটুস পাতার চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই?

    লেটুস পাতার চাষ একটি জনপ্রিয় কৃষি প্রক্রিয়া, যা সঠিক পদ্ধতি ও পরিচর্যার মাধ্যমে ভালো ফলন দিতে পারে। নিচে লেটুস পাতার চাষের কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হলো:

    1. বীজ বপন:

    •লেটুসের বীজ বোনার জন্য শীত মৌসুম আদর্শ।

    •বীজ সরাসরি মাটিতে বা ট্রেতে বপন করা যেতে পারে।

    •বীজ বপনের আগে বীজগুলোকে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে যাতে তারা সহজে অঙ্কুরিত হতে পারে।

    2. মাটি ও জলবায়ু:

    •লেটুস চাষের জন্য ভালো জলনিকাশী যুক্ত উর্বর মাটি প্রয়োজন। মাটির pH মান 6.0 থেকে 6.8 এর মধ্যে হওয়া উচিত।

    •লেটুস ঠান্ডা জলবায়ু পছন্দ করে, তাপমাত্রা 16°C থেকে 22°C এর মধ্যে ভালো বেড়ে ওঠে।

    3. পরিচর্যা:

    •নিয়মিত পানি দেওয়া আবশ্যক যাতে মাটি সবসময় আর্দ্র থাকে। অতিরিক্ত জল দেওয়া উচিত নয় যা মূল পচন ঘটাতে পারে।

    •অপ্রয়োজনীয় ঘাস ও আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

    •সার হিসেবে কম্পোস্ট বা নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার দিতে পারেন।

    4. রোগ ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ:

    •রোগ প্রতিরোধ করার জন্য সঠিক জলবায়ু এবং মাটির পরিচর্যা জরুরি।

    •পোকামাকড় যেমন এফিডস ও স্লাগের জন্য বায়োলজিকাল কীটনাশক বা নিম তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

    5. ফসল তোলা:

    •বীজ বপনের 30 থেকে 60 দিনের মধ্যে লেটুস সংগ্রহ করা যেতে পারে।

    •পাতা যখন মোটা এবং সজীব দেখায়, তখনই তোলা উচিত।

    লেটুস চাষ করতে গেলে উপরোক্ত নির্দেশাবলী মেনে চলা উচিত, এতে করে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব হবে।

    facebook page

  • কাজুবাদাম কোথায় কখন ও কিভাবে চাষ করবেন?

    কাজুবাদাম কোথায় কখন ও কিভাবে চাষ করবেন?

    কাজুবাদাম কোথায় কখন ও কিভাবে চাষ করবেন?

    কাজুবাদাম চাষের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও জলবায়ু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজুবাদাম চাষ করা ও গাছের যত্ন নেওয়ার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ রয়েছে, যা গাছের সুস্থ বৃদ্ধি ও উচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। আমরা নিম্নে কিছু কিছু প্রধান বিষয়ে আলোচনার করার চেষ্টা করবো।

    উপযুক্ত পরিবেশ:

    কাজুবাদাম চাষের জন্য উষ্ণ এবং আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন, যেখানে বছরের মধ্যে অন্তত ৫-৬ মাস বৃষ্টিপাত হয়। তাপমাত্রা যদি ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে তাহলে আদর্শ। গভীর এবং ভালো জলনিষ্কাশন সম্পন্ন বেলে মাটি কাজুবাদাম চাষের জন্য আদর্শ। pH মান ৫.০ থেকে ৬.৫ এর মধ্যে হওয়া উচিত।

    চাষের সময়:

    কাজুবাদামের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকালের শুরু বা শেষে। বাংলাদেশে,  এটি জুলাই থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে করা হয়। কাজুবাদাম গাছ প্রথম ফল দিতে শুরু করে রোপণের ৩-৫ বছর পরে। ফল পাকার পরে, সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফসল সংগ্রহ  করা হয়।

    যত্ন ও পরিচর্যা:

    গাছ সজীব রাখার জন্য নিয়মিত পানি দেওয়া আবশ্যক, বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে। উর্বরতা বাড়াতে  নিয়মিত জৈব সার প্রয়োগ করা ভালো। পোটাশিয়াম ও ফসফরাস সার গাছের বৃদ্ধি ও ফলন বাড়াতে  সাহায্য করে।

    পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণ:

    কাজুবাদাম গাছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন এবং বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটতে পারে। নিয়মিত মনিটরিং এবং প্রয়োজনে ফাঙ্গিসাইড প্রয়োগ করা উচিত। পাতা খেকো পোকা, মাকড় ইত্যাদি দ্বারা গাছ  আক্রান্ত হতে পারে। এদের নিয়ন্ত্রণের জন্য বিষাক্ত নয়, বরং জৈবিক কীটনাশকের ব্যবহার করা উত্তম। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে কাজুবাদাম চাষ সফল হতে পারে। বাংলাদেশে বর্তমানে কাজুবাদাম চাষের সম্ভাবনা বাড়ছে, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের উষ্ণ এবং শুষ্ক জলবায়ুতে। কাজুবাদাম গাছে বিভিন্ন ধরনের রোগ ও পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে। ফাঙ্গাল ইনফেকশন, পাতা খেকো পোকা, মাইটস ইত্যাদি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত স্প্রে করা উচিত। জৈবিক কীটনাশক এবং ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।

    পানি প্রদান:

    কাজুবাদাম গাছের সঠিক বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত পানি দেওয়া প্রয়োজন। বৃষ্টি না হলে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৫-২৫ লিটার পানি প্রতি গাছে দিতে হবে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানির প্রয়োজন হয় না, কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে পানির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

    সার প্রয়োগ:

    গাছের পুষ্টি নিশ্চিত করতে জৈব সার যেমন গোবর বা কম্পোস্ট এবং রাসায়নিক সার যেমন এনপিকে (নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম) ব্যবহার করা ভালো। বছরে অন্তত দুই বার সার প্রয়োগ করা উচিত।

    ছাঁটাই:

    গাছের নিয়মিত ছাঁটাই করে আলো ও বাতাসের প্রবাহ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। মৃত ও রোগাক্রান্ত ডালপালা অপসারণ করতে হবে। ছাঁটাই শীতকালে করা ভালো, যখন গাছ প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

    মালচিং:

    মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণে গাছের গোড়ায় মুলচিং করা উচিত। এর জন্য খড়, পাতা বা অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে।

    পানি নিষ্কাশন:

    অতিরিক্ত পানি জমে যাওয়া এড়াতে ভালো জলনিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। জলজট কাজুবাদাম গাছের মূলের পচন ঘটাতে পারে।

    এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে, আপনি আপনার কাজুবাদাম গাছের সুস্থ বৃদ্ধি ও উচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে পারবেন।

    facebook page

  • কৃষি সংক্রান্ত চাকরির ক্ষেত্রে নারিরা কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?

    কৃষি সংক্রান্ত চাকরির ক্ষেত্রে নারিরা কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?

    নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরি করার জন্য তারা নিম্নলিখিত ভূমিকা রাখতে পারেন:

    কৃষি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরির জন্য প্রথমে তারা কৃষি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পেতে পারেন। এটি তাদের কৃষি কাজে দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি করবে এবং তাদের কাজে আত্মবিশ্বাস তৈরি করবে।

    কৃষি প্রকল্পে অংশগ্রহণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরির জন্য তারা সরকারি বা বেসরকারি কৃষি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এটি তাদের কৃষি কাজে অভিজ্ঞতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করবে।

    কৃষি সংগঠনের সদস্যতা: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরির জন্য তারা স্থানীয় কৃষি সংগঠনের সদস্য হতে পারেন। এটি তাদের কৃষি কাজে সহযোগিতা ও সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সাহায্য করবে।

    কৃষি উদ্যোগে অংশগ্রহণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরির জন্য তারা কৃষি উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এটি তাদের কৃষি কাজে নতুন প্রযুক্তি ও প্রযুক্তিগত সম্পদ ব্যবহার করতে সাহায্য করবে।

    কৃষি সংগঠন পরিচালনা:নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরি করার জন্য তারা নিম্নলিখিত ভূমিকা রাখতে পারেন:

    কৃষি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরি করতে প্রথমে তারা কৃষি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। এটি তাদের কৃষি কাজে দক্ষতা ও জ্ঞান উন্নয়নে সহায়তা করবে। কৃষি বিভাগ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি কৃষি প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। নারীদের এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারে এবং কৃষি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন [2].

    কৃষি প্রকল্পে অংশগ্রহণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরি করতে হলে তারা সরকারি ও বেসরকারি কৃষি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে পারেন। সরকারি প্রকল্পে নারীদের জন্য বিশেষ উপস্থিতি রয়েছে যেমন গ্রামীণ স্বাক্ষর কৃষি প্রকল্প (জিজ্ঞাসা করুন স্থানীয় কৃষি অফিসে)। এছাড়াও বেসরকারি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করে নারীদের কৃষি কাজে নিয়োজিত করা হয়ে থাকে [2].

    কৃষি উদ্যোগে অংশগ্রহণ: নারীদের কৃষি সংক্রান্ত চাকরি করতে হলে তারা কৃষি উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পারেন। নারীদের জন্য সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় সেগুলোতে খুব সহজেই তারা অংশ গ্রহণ করতে পারেন।

    কৃষিতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: নারীদের জন্য কৃষি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা যেতে পারে। সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়া সহজ কৃষি পদ্ধতি, প্রযুক্তি এবং বাজারের প্রচলিত চাহিদা সম্পর্কে জ্ঞান দিতে পারে যা তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
    কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার: নারীদের জন্য কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা যেতে পারে। এটি উন্নত পদ্ধতিতে উৎপাদন বাড়ানো সহায়ক হতে পারে।
    প্রবেশমূলক সামগ্রী প্রদান: নারীদের জন্য বীজ, সার, সম্পূরক খাদ্য, সরবরাহ ও প্রাথমিক পরিষেবা প্রদান করা যেতে পারে।
    কৃষি ব্যবসা: নারীদের কৃষি ব্যবসা চালানোর জন্য প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে। এটি তাদের আত্মনির্ভরশীলতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
    বাজার প্রবাহ: নারী কৃষকদের জন্য স্থানীয় বাজার সংযোগ প্রদান করতে হতে পারে, যাতে তারা তাদের উৎপাদন বিক্রি করতে পারেন।
    কৃষি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ: নারীদের প্রতিষ্ঠানিক কৃষি প্রকল্পে অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে, যা তাদের গৌরব এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
    নেতৃত্ব ও কোম্পানিতে ভূমিকা: নারীদের কৃষি সম্প্রদায়ে নেতৃত্ব এবং পরিচালনা ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে।
    এই সমস্ত পদক্ষেপগুলি নারীদের কৃষিক্ষেত্রে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং তাদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে মাধ্যম হতে পারে।

    facebook page

  • কৃষকের নিকট থেকে পিসে কেনা তরমুজ কেন ওজনে কিনবো?

    কৃষকের নিকট থেকে পিসে কেনা তরমুজ কেন ওজনে কিনবো?

    বয়কট!!!!                   বয়কট!!!                                 বয়কট!!!  তরমুজ কেন ওজনে কিনবো????

    বয়কট শব্দটি নিয়ে কিছুদিন ধরেই বাক বিতন্ডাসহ সকলের মাঝেই চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। বয়কট করলে কি শুধু কৃষকেরই ক্ষতি, নাকি অন্যান্য কিছু অসহায় দুর্বল পেশার লোকজনও জড়িত। মানতেই হবে আমরা হুজুগে বাঙ্গালি। কোন কিছুর হুজুগ উঠলেই আমরা না বুঝে শুনেই সবার কাছেই ভাইরাল নামক শব্দকে প্রাধান্য দিয়ে প্রচার শুরু করি।

    আমরা কৃষি নিয়ে কাজ করি তাই কৃষি পণ্য নিয়ে বয়কটের কিছু বাস্তবতা নিয়ে আলোকপাত করার চেষ্টা করছি। গত সিজনের ড্রাগন ফল থেকে শুরু করে বর্তমান তরমুজ পর্যন্ত যে বয়কট আমরা করেছি, তাতে আসলে কে লাভবান হয়েছে, একটু খতিয়ে দেখতে হবে। ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে সমাজে ইউটিউবারদের বড় একটি প্রভাব সমাজে দেখা দিয়েছে।

    যাদের আমরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে জানি। এই কনটেন্টের যাত্রা ভালোভাবে শুরু প্রায় ২০ বছর পূর্বে। যখন সোহাগ ৩৬০ ডিগ্রি চ্যানেল বিভিন্ন কম্পিউটার কোর্স ও মোবাইলের ফাংশন নিয়ে ভিডিও প্রচার করেন। সেই সময় থেকে আস্তে আস্তে আবাল, বৃদ্ধ বনিতা সকলেই ইউটিউবার হয়ে ডলার ইনকামের দিতে ঝুকতে শুরু করেছে। কিন্তু আসলে কতজন সফল হয়েছে, আর কতজন সমাজের কি পরিমাণ ক্ষতি করেছে তা, বাংলার জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

    কিছু কিছু শিক্ষনীয় চ্যানেল এখনও স্বমহিমায় উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন আমাদের কাছে, আমরা তাদের ঋণ কখনও শোধ করতে পারবোনা। আবার কিছু কিছু অশিক্ষিত মূর্খ মানব যে বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই, পেটে বোমা মারলে দু-চার কলম লিখতে পারবে না, তাঁরা কৃষকের উৎপাদন ব্যবস্থা, কৃষি পণ্যের বাজারজাত ব্যবস্থা, কৃষিতে অর্থনৈতিক প্রভাব, মুদ্রাস্ফিতি, কৃষকের কলা ফুলে বড়লোক হওয়া (বানোয়াট ও মিথ্যা গল্প) নিয়ে ভিডিও করে রাতারাতি ভাইরাল হওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত।

    তাঁরা জানেনা ড্রাগন ফলে হরমোন ব্যবহার করা বৈধ কিনা, এতে কৃষি অফিস অনুমোদন দিয়েছে কিনা, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক স্বাস্থ্য ঝুকি সংক্রান্ত কোন প্রতিবাদ লিপি আছে কিনা, কৃষক এটা না বুঝে শুনে করছে কিনা। না জেনে না বুঝে ভিডিও করা হলো ড্রাগন ফলে হরমোন ব্যবহার করে এটা বড় করা হয়েছে, এটা খাওয়া যাবেনা, ব্যাস রাতারাতি ইউটিউবে, ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল, বাংলার সুবোধ ও সহজ সরল জনগণ তাতে সায় দিয়ে ড্রাগন কেনা বন্ধ করে দিলো। ফলাফল দুস্থ, অসহায় কৃষকের লক্ষ, লক্ষ, কোটি টাকা লস। ব্যাংকের দেনা, এনজিও কিস্তি, সারের দোকানের হালখাতা ইত্যাদির চাপে কৃষক প্রায় দিশেহারা।

    আমরা এখন এমন ইউটিউবার ও ফেকবুকার দেখতে পাই দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে, পাশের মানুষগুলো তাঁকে সেবা শুশ্রষা করা বাদ দিয়ে ভিডিও করতে শুরু করেন। অথচ এমন হতে পারতো উনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে হয়ত উনি বেঁচে যেতে পারতেন। দেখে মনে হয় উনারা নোবেল জয়ী বিশ্বসেরা সাংবাদিক, এখনই মানুষ কিভাবে মারা যাচ্ছে সেই ভিডিও না দিলে উনার বিশ্বনন্দিত পদ হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সামনের দু-চারজন মানুষ মারা গেলেও উনাকে ভিডিও করতেই হবে।

    এবার আসি তরমুজের ঘটনা নিয়ে। কৃষক কত কস্ট করে তরমুজের জমি চাষ করা থেকে শুরু করে তরমুজ কাটা পর্যন্ত কি পরিমাণ শ্রম আর পয়সা খরচ করেছেন, তা একমাত্র কৃষকই জানে। হুট করে একদল হলুদ সাংবাদিক প্রচার শুরু করলেন আমরা কেজিতে তরমুজ কিনবো না, আমাদের কাছে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে হবে। ব্যাস কম্ম সারা, তরমুজ বিক্রিতে ধস। বিক্রি কমে যাওয়াও বেপারি আর ক্ষেতে যায় না তরমুজ কিনতে, তরমুজ পেঁকে ফেটে নস্ট হয়ে যাচ্ছে। কৃষকের রক্তের প্রবাহ বেড়ে সে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, তাঁর গত কয়েক মাসের পরিশ্রম জলে ভাসিয়ে দিয়ে মার্ক জুকারবাগের বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকাভূক্ত হতে সহায়তা করছে।

    একটি কৃষি পণ্য কৃষকের ক্ষেত থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসতে কতটি হাত বদল হয় ও কত খরচ হয়? এ সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। কৃষক যে হাটে বিক্রি করে সেখান থেকে বেপারী কেনে। লেবার দিয়ে বেপারী তার গোডাউনে নিয়ে আসে, কোন সময় ক্ষেত থেকে ট্রাকে লোড হয়, আবার জমিতে ট্রাক না পৌছালে গোডাউন থেকে ট্রাকে লোড হয়। ট্রাক বরিশাল বিভাগ থেকে কারওয়ান বাজার সহ দেশের অন্যান্য জায়গায় পৌছাতে কতগুলো ব্রীজের টোল, আর রাস্তা খরচ দিতে হয় তা আমরা সবাই জানি।

    এরপর ট্রাক পৌছালে সেখান থেকে আড়তের গোডাউনে আনলোডিং, সেখান থেকে পাইকারি বিক্রেতা এরপর খুচরা বিক্রেতা, সবশেষে ভোক্তা। মাঝে আড়তের অ্যাডভান্স ও ভাড়া, পাইকারি বিক্রেতার গোডাউন ও মাসিক ভাড়া, খুচরা দোকানদারের এডভান্স ও দোকান ভাড়া, ভ্যানওয়ালার ভ্যান বানানো খরচ ও যেখানে বিক্রি করবে সেই জায়গার মাস্তানি ট্যাক্স। সব মিলিয়ে তরমুজ, শসা, ও ড্রাগন পেয়ারা বেচারারা কতবার যে নিজেদের ভ্যালু এ্যাড করেছে, তা তাঁরা নিজেরাও জানেনা।

    এখন আমরা যারা ভোক্তা তাঁরা প্রশ্ন করি ১০ টাকার শসা কেন আমরা ৪০ টাকায় কিনবো, কৃষকের নিকট থেকে পিসে কেনা তরমুজ কেন ওজনে কিনবো? কিন্তু এই প্রশ্নগুলো আসলে কার কাছে করছি? এই দাম বৃদ্ধির দায়ভার কার? কে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে? প্রশ্ন সবার, জবাব কারোও কাছে নেই। আমরা জানি অফিস আদালতে বা বাড়িতে ব্যবহৃত কাঁচ ওজনে বিক্রি হয় পাইককিরি ভাবে আর

    আমরা কিনে আনি স্কয়ার ফিট হিসেবে, কিন্তু এটা নিয়ে কোন দিনও কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখিনি, আবার কেউ বয়কটের ডাক দিয়েছে এমন প্রমাণও নেই। তাহলে শুধুমাত্র কৃষকের উপর কেন এত ক্ষোভ ও রাগ যে কিছু হলেই কৃষি পণ্য বয়কট করতে হবে।

    কৃষক যদি সংগঠিত হয়ে কৃষি পণ্য উৎপাদন বয়কট করে তখন কি হবে? অতিরিক্ত টাকা কি শহরে যে ভ্যানওয়ালা বা দোকানদার খুচরা বিক্রি করছে সে একাই নিচ্ছে, নাকি এই টাকা ট্রাকের ড্রাইভার, ভ্যানচালক, লোড ও আনলোডের লেবার, প্যাকিং লেবার, টোল গ্রহিতা আরোও কতজনের পকেটে গিয়ে তাঁদের সংসার চলে?

    আমি ভোক্তা যদি ১০ টাকায় শসা ও পিস হিসেবে তরমুজ খেতে চাই, তাহলে সরাসরি টাকা খরচ করে কৃষকের নিকট গিয়ে কিনে নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু সে সময় তো আমাদের কাছে নেই, তাহলে কেন আমরা বারে বারেই কৃষকের ক্ষতি করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছি, তথাকথিত ইউটিউবার ও ফেসবুকিংদের কথায়। আমাদের নাচা বন্ধ করতে হবে, যতদিন না আমরা বুঝবো যে, আমার নাচানাচির কারণে কতটি সংসার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, ততদিন এ সমস্যার সুরাহা হবেনা।

    আমি কাউকে কটাক্ষ বা ছোট করার জন্য কথাগুলো বলিনি, বাস্তবতা তুলে ধরেছি মাত্র। অযথা কেউ কস্ট পাবেন না, কস্ট পেলে জোড় হাতে ক্ষমা চাইছি।

    ধন্যবাদ, প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক কৃষক কণ্ঠ।